সি পি এম -এর বুকস্টলের অনুমতি খারিজ হাইকোর্টে

18

পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: বনগাঁ সিপিএম-এর বুকস্টলে ” না ” কলকাতা হাইকোর্টের। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ অনুমতি দিলেও সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল রাজ্য। আজ একক বেঞ্চের সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চের। টেবিল-ছাতা পেতে স্টলেও অনুমতি নয়,জানিয়েছে কোর্ট।

শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে বলেন, “দেখান অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন?”

সিপিএম-এর আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, “পি ওয়াই ডি এবং হাইওয়ে অথরিটিকে অনুমতি চেয়ে ই-মেইল করা হয়।”

প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, “রাস্তার ধারে সব স্টল তুলে দাও। অনুমতি না থাকলে কারোরই স্টলের প্রয়োজন নেই। আইনের চোখে সবাই সমান”।

উত্তরে আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, “সিপিএমের দলীয় কার্যালয়ের সামনে।”

প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, “রাস্তার অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে আছে সিপিএমের বুকস্টল?”

মামলাকারী বলেন, “একই লাইনে অন্য স্টলের মতোই।”

অ্যাডভোকেট জেনারেলের বিল্বদল ভট্টাচার্যের সওয়াল, “বাকি স্টলগুলির অনুমতি আছে কি না জানা নেই।”

আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, “একই পর্যবেক্ষণ রেখেছে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য একক বেঞ্চও”

অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, “আইনের চোখে কোনও অনুমতি ছাড়া কীভাবে বুকস্টল সম্ভব?”

আবার সিপিএম-এর আইনজীবী বলেন, “দুর্গাপুজো শুরু হয়েছে। পুজোর আর ৩-৪ টে দিন রয়েছে৷ বুকস্টল চালাতে দেওয়া হোক। কোনও মাইক, মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল অনুমতি দেওয়া হোক।”

পাল্টা সওয়ালে আবার এজি বলেন, “বনগাঁ থানার আইসি এজলাসে। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ৬ কিলোমিটার।”

প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, টেবিল-ছাতা পেতে স্টলেও অনুমতি নয়।

২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার পক্ষে যুক্ত সবপক্ষকে নোটিস।