সিজেপি নেতাদের ৫ দিনের জেল

25

নিউজ ডেস্ক: যন্তর মন্তরে অবৈধভাবে প্রবেশের জেরে পাঁচ দিনের জেল হল ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা সহ ১৪ জনের। মঙ্গলবার সকালে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে তাঁরা জাতীয় পতাকা হাতে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তখনই পুলিশ তাঁদের আটক করে।
বন্ডের শর্ত লঙ্ঘন এবং পুলিশকে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সিজেপি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ দিল্লির মন্দির মার্গে এক ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে এই তিন নেতাকে হাজির করা হয়।
সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সমাজমাধ্যমে লিখেছেন যে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে দীপকে সরকারের বিরুদ্ধে ভিন্নমত দমনের অভিযোগ তুলেছেন।
দিল্লি পুলিশের দাবি, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ১৬৩ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। বারবার একই ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে, তাঁরা মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ করেছেন।
মঙ্গলবার সকালে যন্তর মন্তর সংলগ্ন জনতা দল ইউনাইটেডের দফতরের দিক থেকে পাঁচিল টপকে আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসরা ভেতরে প্রবেশ করেন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশকুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেওয়ার সময় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।
সিজেপি আইনি দলের প্রধান রত্না সিং জানিয়েছেন যে, আজিঙ্ক শিন্ডেকে ব্যক্তিগত মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এর আগেও ৫০,০০০ টাকার মুচলেকা জমা দিয়ে এবং এক বছর পর্যন্ত শান্তিভঙ্গকারী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিজেপির তিন নেতা মুক্তি পেয়েছিলেন। এবার তাঁদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ ও মুচলেকার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তাদের ‘পুনরাবৃত্ত অপরাধী’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
এর আগে এক পোস্টে সিজেপি-র আইনি দলের প্রধান রত্না সিং বলেছিলেন, আজকের যন্তর মন্তর সংক্রান্ত ঘটনায় দিল্লি পুলিশ সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং আজিঙ্ক শিন্ডেকে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানা গ্রেফতার করেছে।
রত্না সিংয়ের অভিযোগ যে যে, গভীর রাত পর্যন্ত ওই তিনজনকে আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং ভোর ৩টের দিকে একটি ব্যক্তিগত ভ্যানে করে তাদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে আসা হয়।
এদিকে, বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যে, ১৩ অক্টোবর সকালে সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, আজিঙ্ক শিন্ডে এবং সিজেপির আরও ১১ সদস্য যন্তর মন্তরে পৌঁছন। উল্লেখ্য, ওই স্থানটি আর বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত জায়গা হিসেবে ঘোষিত ছিল না এবং তাঁরা একটি ব্যক্তিগত সম্পত্তির মধ্য দিয়ে সেখানে প্রবেশ করেছিলেন, যা বেআইনি।
আদালত সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে অন্যদিকে, আজিঙ্ক শিন্ডেকে ৫,০০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে ছেড়ে দেওয়া হয়।