সৌরভ-রাঙ্কাকে ফের তলব দিল্লি পুলিশের

21

নিউজ ডেস্ক: জেলমুক্ত হওয়ার পর সমস্যা কাটছে না ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কার। ৭ দিন কারাগারে থাকার পর বুধবার মুক্তি পেয়েছিলেন তাঁরা। ফের তাঁদের তলব করেছে দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা। এই দুজনের সঙ্গে তলব করা হয়েছে আজিঙ্ক শিন্ডেকেও।
দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার বয়ান রেকর্ড করার জন্য তলব করেছে। তদন্তটি মূলত অনধিকার প্রবেশ এবং আদেশ অমান্য করার অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।এক সপ্তাহ তিহার জেলে ছিলেন আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস।
যন্তর মন্তর ধর্নাস্থল হিসেবে অনুমোদন হারানোর পর সিজেপি সদস্যরা সেখানে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উড়িয়েছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ক্রাইম ব্রাঞ্চ দুটি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে।

দুটি মামলা ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর
১৩ অক্টোবরের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি মামলাই পরবর্তী তদন্তের জন্য দিল্লি পুলিশ ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছে হস্তান্তর করেছে। এর মধ্যে একটি মামলা কনট প্লেস থানায় এবং অন্যটি পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় দায়ের করা হয়েছিল।
পুলিশের অভিযোগ, সিজেপি নেতারা ব্যারিকেড অতিক্রম করে একটি ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের ভেতর দিয়ে ওই এলাকায় প্রবেশ করে, যার ফলে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।
পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় দায়ের করা দ্বিতীয় এফআইআর-এ সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলা চালানো এবং ঘটনার সময় পুলিশ কর্মীদের আঘাত করার অভিযোগ রয়েছে।
সৌরভ-রাঙ্কাকে আরও তিন দিন কারাগারে রাখার আবেদন করেছিল পুলিশ। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট তা খারিজ করে দেন। এর ফলে বুধবার তিহার জেল থেকে মুক্তি পান সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। ১৪ অক্টোবর থেকে এই দুই নেতা তিহার জেলে ছিলেন।
বন্ডে স্বাক্ষর করে সৌরভ-রাঙ্কা মুক্তি পেয়েছেন। তাঁরা সম্মত হয়েছেন যে, যন্তর মন্তর এলাকাটি বর্তমানে প্রতিবাদস্থল হিসেবে অনুমোদিত না থাকায়, সেখানে তাঁরা বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেবেন না। এ ছাড়া, ভবিষ্যতে কোনও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করলে তা যেন সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই থাকে, তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও তাঁরা দিয়েছেন।
এসআইআরে অনিয়ম এবং ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে সিজেপি নেতারা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশকুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন।
প্রতমে ১০ অক্টোবর ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিজিৎ দীপকে সহ এই দুজনকে আটক করা হয়েছিল। মুচলেকা দিয়ে তাঁরা ছাড়া পান।
১৪ অক্টোবর যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের পর তাঁদের পুনরায় আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁদের প্রতিরক্ষামূলক গ্রেফতার করা হয়েছে।