নিউজ ডেস্ক: অসমের ভোটার তালিকায় ৯১ হাজারের বেশি ডি-ভোটার, বিধানসভায় চলতি বাজেট অধিবেশনে তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। কংগ্রেস বিধায়ক নুরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে হিমন্ত বলেন, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ভোটার তালিকায় ডি-ভোটার বা সন্দেহজনক ভোটারের সংখ্যা ৯১,৩৮৫। শোণিতপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি ডি-ভোটার ১৩,১৭৯। এরপর রয়েছে ওদালগুড়ি ও নগাঁও, দুটি জেলাতেই ৭৮০০ ডি-ভোটার।
১৯৯৭ সালে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী অসমে ডি-ভোটার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। যেসব ভোটারের নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ আছে অথচ প্রমাণ হয়নি তারা বিদেশি, তাদের নামের পাশে ডি-ভোটার বা ডাউটফুল ভোটার লেখা রয়েছে ভোটার তালিকায়।
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, অসমের বিভিন্ন বিদেশি ট্রাইব্যুনাল এপর্যন্ত ৫৬,৭২৮ ডি-ভোটারকে বিদেশি হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া ট্রাইব্যুনালের নির্দেশের পর গুয়াহাটি হাইকোর্টে আবেদনকারী ৮৩১ জনকেও হাইকোর্ট বিদেশি হিসেবে ঘোষণা করেছে।
উলটোদিকে, ৬৫,১৭১ ডি-ভোটারকে অসমের বিভিন্ন বিদেশি ট্রাইব্যুনাল ভারতীয় হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং গুয়াহাটি হাইকোর্ট ও সু্রিম কোর্ট আরও ৪৫ জনকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করেছে, জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী।
অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে ১৯৯৭ সালে ডি-ভোটার লেখা প্রথম চালু হয়। তখন এই সংখ্যা ছিল প্রায় দুলক্ষ। সঠিক সংখ্যা ১,৯৯,৫৯৬। অসমের বিভিন্ন বিদেশি ট্রাইব্যুনালে ২,৪৪,১৪৪ ডি-ভোটারের শুনানি হয়েছে। এর মধ্যে ২,০৫,৬৫৯ জন ভারতীয় ঘোষিত আর ৫৬,৭২৮ জন বিদেশি ঘোষিত হয়েছে।
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন যে ডি-ভোটার ছাড়া বর্ডার পুলিশ সন্দেহভাজন ১,৯০,৫৬৭ জনকে ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়েছে। তার মধ্যে ১,৫৫,৪৯০ জনের নাগরিকত্ব নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১,১৫,৯৪৫ জন বিদেশি হিসেবে ঘোষিত। এর মধ্যে ৩১,৭৮৯ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
Prev Post