নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র থেকে বন্যার্তদের ত্রাণে কোনও অভাব হবে না, বন্যাবিধ্বস্ত অসমে এসে ঘোষণা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎপ্রকাশ নাড্ডার। তিনদিনের সফরে উত্তর-পূর্বে এসেছেন নাড্ডা। বুধবার উজান অসমের বন্যাবিধ্বস্ত শিবসাগর জেলার নেপালি খুঁটি এলাকা পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সঙ্গে ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
নেপালি খুঁটির বন্যার্তদের সঙ্গে কথা বলেন নাড্ডা, খোঁজ নেন ত্রাণসামগ্রী বণ্টন ও আশ্রয় শিবিরের। নাড্ডা বলেছেন, ভারত সরকারের পক্ষে আমি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে নিশ্চিত করেছি যে বন্যার্তদের সহায়তার ক্ষেত্রে কোনও ঘাটতি হবে না। বন্যাত্রাণে সম্পূর্ণ আর্থিক সাহায্য করবে ভারত সরকার। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যেই অসমের বন্যাক্রান্ত অঞ্চল ঘুরে একটি রিপোর্ট দিয়েছে। আমরা বন্যাক্রান্ত পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেছি।
অসমে চলতি বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শিবসাগর জেলার বিহুবর ও নেপালি খুঁটি এলাকা। বহু বাড়িঘর বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে, এখনও বহু কৃষিজমি জলের তলায়, ক্ষতি হয়েছে গৃহপালিত জীবজন্তু এবং ভেঙে পড়েছে সরকারি পরিকাঠামো। বৃষ্টি এবং বন্যার জল কমলেও বিহুবর ও নেপালি খুঁটির বহু বাসিন্দা ঘর ধ্বংস হয়ে গেছে বলে এখনও আশ্রয় শিবিরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে রয়েছেন উঁচু জমিতে স্বল্পস্থায়ী শিবির বানিয়ে।
নেপালি খুঁটি ও বিহুবর এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন হিমন্ত ও জেপি নাড্ডা। ঘরহারাদের ঘর তৈরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন দুজনেই। পোষ্য জীবজন্তুর ক্ষতি, ফসলের ক্ষতি, বাড়িঘরের ক্ষতি, নথিপত্রের ক্ষতি এবং সর্বোপরি পড়ুয়াদের শিক্ষাসামগ্রীর ক্ষতি পূরণের আশ্বাস দেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ইতিমধ্যে ১১২ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়েছে অসমের বন্যার্ত ৬০ হাজার পরিবারকে।
অসম সফর শেষ করে নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশের বন্যাক্রান্ত অঞ্চল পরিদর্শনে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা।