পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান নিকেশ

35

নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালে পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান নিহত। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজাফ্ফরাবাদে অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকধারীর এলোপাথারি গুলিতে নিহত হয়েছে অল-বদরের কমান্ডার হামজা বুরহান।

পুলওয়ামা সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনার তদন্তের করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। ইতিমধ্যেই এই সন্ত্রাসবাদী হামলার তদন্তে চার্জশিটও দাখিল করেছে তারা। চার্জশিটে নিহত হামজা বুরহানের নাম ছিল। সূত্রের খবর, পহেলগাম সন্ত্রাসবাদী হামলাতেও এই হামজা বুরহানের সক্রিয় হাত ছিল। পহেলগামের ঘটনা সহ জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা সীমান্তের ওপার থেকেই নিয়ন্ত্রণ করেছে এই হামজা।

গত কয়েক সপ্তাহে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-এ-তৈবি, হিজবুল মুজাহিদিন এবং জইশ-এ-মহম্মদের নেতৃত্ব স্থানীয় বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে। লাহোর সহ পাকিস্তানের একাধিক শহরে জঙ্গি-নিকেশের এই ঘটনাগুলি ঘটেছে। হামজা বুরহানকেও সেই একই কায়দায় নিকেশ করা হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

২০১৯ সালে পুলওয়ামা সন্ত্রাসবাদী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২২ সালে হামজা বুরহানকে জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অল-বদর জঙ্গি সংগঠনে দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কমান্ডার সংগঠনের মধ্যে ‘ডক্টর’ নামে পরিচিত ছিল। আসল নাম অরজুমন্দ গুলজার দার। পুলওয়ামার রতনিপোরার খরবতপোরায় জন্ম হামজা বুরহানের। ২০১৭ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য পাকিস্তানে যায় বুরহান। তারপর অল-বদরের মতো নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেয় সে। খুব দ্রুততার সঙ্গে সংগঠনের কমান্ডার হয়ে ওঠে এই খতরনাক জঙ্গি।

পাকিস্তান থেকে কাশ্মীর উপত্যকায় ফিরেই অল-বদরের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজে জোর বাড়ায় হামজা। মূলত দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা থেকে সোপিয়ান পর্যন্ত নেটওয়ার্ক তৈরি করে সে। নিরাপত্তা সংস্থা সূত্রে খবর, নিহত বুরহান পুলওয়ামা হামলায় জঙ্গিদের বিস্ফোরক ও গ্রেনেড সরবরাহ করেছিল। পুলওয়ামা ঘটনার পর বুরহানের খোঁজে জোর তল্লাশি শুরু হয়। সে সময় সে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পালিয়ে যায়।