নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই মাধ্যমে দুহাজার টাকার বেশি লেনদেন করলেই দিতে হবে মাশুল। প্রতি হাজারে চার টাকা করে দিতে হবে মাশুল। মঙ্গলবার বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া বা এনপিসিআই।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই মাশুল শুধু ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ব্যক্তিগত লেনদেনে কোনও মাশুল লাগবে না।
ইউপিআই লেনদেন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা জানিয়েছে ইউপিআই মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) কাঠামো। দুহাজার টাকার বেশি মার্চেন্ট লেনদেনের উপর ০.৪ শতাংশ হারে এমডিআর প্রযোজ্য হবে।
নতুন নিয়ম অনুসারে, কিউআর কোডের মাধ্যমে প্রতি মাসে যেসব ব্যবসায়ীর এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় হয় তাদের কোনও মাশুল দিতে হবে না।
রেলের টিকিট, বিমা, মোবাইল ও টেলিফোনের বিল, বিদ্যুতের বিল, জলের বিল, পেট্রল পাম্প, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি-র ক্ষেত্রে দুহাজার টাকার ওপরে ৫ টাকা মাশুল বসবে, টাকার অঙ্ক যাই হোক না কেন।
আবার মিউচুয়াল ফান্ড, স্টকব্রোকার, শেয়ার বাজারের ডিলারদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে মাশুল একটু কম, ০.০২ শতাংশ।
যে কোনও লেনদেনে সর্বোচ্চ মাশুল ৩০০ টাকা। যার অর্থ ৭৫,০০০ টাকা বা তার অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে মাশুল দিতে হবে ৩০০ টাকা।
বর্তমানে ডেবিট কার্ডে ০.৯ শতাংশ এবং ক্রেডিট কার্ডে ১.৫ শতাংশ মাশুল দিতে হয়।
কেন্দ্রের ইউপিআই মাধ্যমে মাশুল নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, আমেরিকার চাপেই ইউপিআই লেনদেনে মাশুল বসানো হচ্ছে। কেননা মার্কিন ক্রেডিট কার্ড ভিসা ও মাস্টার কার্ডে লেনদেনে মাশুল লাগে, সেজন্য আমেরিকার লেনদেন সংস্থাগুলি দীর্ঘকাল ধরে ভারতে শূন্য-মাশুল নীতির সমালোচনা করছে। এটা আমেরিকার চাপে প্রধানমন্ত্রী মোদীর আপস, ফের আত্মসমর্পণ করেছেন নরেন্দ্র মোদী।