খামনেইয়ের শেষকৃত্যে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা

48

নিউজ ডেস্ক: আগামী ৯ জুলাই আমেরিকার ২৫০ তম স্বাধীনতা দিবস। সে দিনই অনুষ্ঠিত হবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামনেইয়ের শেষকৃত্য। এই অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা ও বিহারের রাজ্যপাল। কিন্তু খামনেইর শেষকৃত্যে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা বা ইজরায়েল। খামনেইর শেষকৃত্যের আগে এমনই সংশয়ের কালো মেঘে ঢাকল তেহরানের আকাশ।

আগামী ৯ জুলাই আলি খামনেইয়ের শেষকৃত্য। মাশহাদ শহরে সম্পন্ন হবে অন্ত্যেষ্ট্রি ক্রিয়া। খামনেইর শেষকৃত্যে হতে পারে ভয়ঙ্কর হামলা! গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিল আমেরিকা। হামলার প্রথমদিনই মার্কিন হামলায় মৃত্যু হয় খামনেইয়ের। গত ৪ মাস ধরে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে তাঁর দেহ। রবিবার জন্ম শহর মাশহাদে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হবে শেষকৃত্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন এক কোটির বেশি মানুষ
আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের বহু অতিথিকেও। ভারতের হয়ে এই অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করছেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা ও বিহারের রাজ্যপাল অবসরপ্রাপ্ত লেঃ জেঃ সইদ আতা হাসনাইন। ৯ জুলাইর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমেরিকা বিরোধী বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করবে তেহেরান। লক্ষ্যণীয়ভাবে, ৯ জুলাই হচ্ছে আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস। তাই শুরু হয়েছে ইরানের এই মেগা আয়োজন বানচালের ষড়যন্ত্র। খামনেইয়ের শেষকৃত্যে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা-ইজরায়েল। ইতিমধ্যে ইরানি সেনাবাহিনীর হাতে পৌঁছেছে সম্ভাব্য হামলার ইনপুট। প্রতিক্রিয়াও প্রকাশ করেছে সে দেশের সেনা। IRGC-র সদর দফতর থেকে এক বার্তায় বলা হয়েছে, ‘খামনেইয়ের শেষকৃত্যে হামলা চালানো হলে পরিস্থিতি হবে ভয়ঙ্কর। আমেরিকা-ইজরায়েলের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে চরম প্রতিশোধ। যে কোনও হামলা বা আগ্রাসনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরানি সেনা’
এদিকে, ইরানের সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ‘খামনেইয়ের শেষকৃত্যে অংশ নিচ্ছেন না তাঁর ছেলে মোজ়তবা খামেনেই।’ নিরাপত্তাজনিত কারণে সশরীরে উপস্থিত থাকছেন না তিনি। প্রশ্ন হয়, নিরাপত্তাজনিত কারণে যে অনুষ্ঠানে খামনেইর ছেলে উপস্থিত থাকছেন না, সেই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিদের উপস্থিত হওয়া কি ঝুঁকিপূর্ণ হবে না তো?