রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি! কলগাছিয়া-দিগজানিতে বাজেয়াপ্ত ১১০টি সিলিন্ডার

8

রেজাউল হক, কলগাছিয়া: রান্নার গ্যাস নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে হাহাকার। এলপিজি সিলিন্ডারের অপর্যাপ্ত সরবরাহে উনুনে হাঁড়ি না চড়ার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি। অথচ, তারই মধ্যে সিলিন্ডার নিয়ে ব্যাপক কালোবাজারির গুরুতর অভিযোগ। নির্ধারিত দামে বৈধ উপায়ে সিলিন্ডার না মিললেও কালোবাজারে চড়া দামে দিব্যি মিলছে সিলিন্ডার। এবারে কলগাছিয়া এবং দিগজানি থেকে উদ্ধার হলো ১১০টি সিলিন্ডার। বেআইনিভাবে মজুত করা হয়েছিল ওই সিলিন্ডার। সার্কেল অফিসার এবং সরবরাহ বিভাগের যৌথ অভিযানে সিলিন্ডারগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়।

গ্যাস সিলিন্ডারের অভাব তীব্র হয়ে উঠেছে। বুকিঙের পর দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে করতে গ্রাহকদের হয়রানির একশেষ। সম্প্রতি অনলাইন বুকিংও বন্ধ রয়েছে। গ্রাহকরা একটি সিলিন্ডারের আশায় এজেন্সির সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে প্রতিদিনই অপেক্ষা করছেন। দিনের শেষে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। পরদিন ফের এসে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। এজেন্সির কর্মীরাও বলতে পারছেন না কবে সিলিন্ডার সরবরাহ সম্ভব হতে পারে। সিলিন্ডারের এই ভয়াবহ সঙ্কটে জমে উঠেছে কালোবাজারি। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার। সিলিন্ডারের কালোবাজারি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে।

গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে বরপেটা জেলার কলগাছিয়া রাজস্ব সার্কেলের কলগাছিয়া এবং দিগজানিতে যৌথ অভিযানে নামেন রাজস্ব সার্কেল অফিসার এবং জেলা সরবরাহ বিভাগ। অভিযানে দিগজানির বাসিন্দা জনৈক সাহাব উদ্দিনের বাড়ি এবং কলগাছিয়ার বাসিন্দা সফিকুল ইসলামের দোকান থেকে উদ্ধার হয় ১১০টি গ্যাস সিলিন্ডার। সার্কেল অফিসার এবং সরবরাহ বিভাগের ইনস্পেক্টর জানান, দিগজানির সাহাব উদ্দিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৮২টি সিলিন্ডার। তারমধ্যে ১৯টি সিলিন্ডার ছিল গ্যাস ভৰ্তি। এদিকে, কলগাছিয়ার সফিকুল ইসলামের দোকান থেকে উদ্ধার হয় ২৮টি সিলিন্ডার। তার মধ্যে ছিল ৩টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার। অবৈধভাবে সিলিন্ডার মজুত করে বেশি দামে বিক্ৰির অভিযোগ।