মমতার আমলে ব্রাত্য দময়ন্তীকে গুরুদায়িত্ব

5

নিউজ ডেস্ক : ২০১২ পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল সরকার ব্রাত্য করে রেখেছিল আইপিএস আধিকারিক দময়ন্তী সেনকে। বাংলায় বিজেপি সরকার এসে দময়ন্তী সেনকে নিয়ে এসেছে প্রচারের আলোয়। মহিলাদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের বিরুদ্ধে বাংলায় যে নতুন কমিশন তৈরি হয়েছে তার সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন দময়ন্তী সেন। কমিশনের নেতৃত্বে প্রাক্তন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়।


১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস আধিকারিক দময়ন্তী সেন ২০১২ সালে ছিলেন কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার (ক্রাইম)। মহিলা হিসাবে দময়ন্তীই প্রথম এই পদে ছিলেন। পার্ক স্ট্রিটে চলন্ত গাড়িতে গণধর্ষণ হয়েছিল ২০১২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একে ‘সাজানো ঘটনা’ বলেছিলেন।
মমতার মন্তব্য গোটা দেশেই আলোড়ন ফেলেছিল। বহুদিন ধরে সংবাদের শিরোনামে ছিল পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণ মামলা। মমতার বিতর্কিত মন্তব্য সত্ত্বেও দময়ন্তী সেন নিজের মতো তদন্ত করে কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিলেন। ধর্ষকদের সন্ধান পাওয়ার পরই দময়ন্তীকে লালবাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ব্যারাকপুরের পুলিশ প্রশিক্ষণ কলেজে।


পুলিশ মহলে অনেকেরই মনে হয়েছিল, যে শাস্তিমূলক ট্রান্সফার করা হয়েছিল দময়ন্তী সেনকে। যদিও পরে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন দময়ন্তী। ২০২৩ সালে দময়ন্তী সেনকে দেওয়া হয়েছিল অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেলের (প্রশিক্ষণ) দায়িত্ব। বিজেপি সরকার এসে দময়ন্তী সেনকে গুরুদায়িত্ব দিল।