নিউজ ডেস্ক: অবিরত বন ধ্বংস ও মাটি কাটার ফলে অতীতের সবুজে ঘেরা নগাঁও, হোজাই, পশ্চিম কার্বি আংলং এখন ক্রমশ রুক্ষ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলে খাদ্য ও আশ্রয়ের খোঁজে হাতির পাল ঢুকে পড়ছে লোকালয়ে। ফলত মাঝে মধ্যেই হাতির হানায় মানুষের মৃত্যু অসমে খবর হয়ে উঠছে।
কান্দুলি সংরক্ষিত অরণ্য, বামুনি থান পাহাড়, হায়েংথল পাহাড়, ডেরাগাঁও পাহাড়, পুলিবাগান পাহাড়, চাপানালা বন, জিয়াজুরি, হাতিখুলি, কাফিতোলি-আহুতলি পাহাড়, শ্যামজাদু, ডোলচুরা পাহাড়, লংকাজুরি, আকাশি গঙ্গা, উর্ধা গঙ্গা, গাই চিনেরি, নিশান পাহাড় প্রভৃতি এলাকা চিহ্নিত ছিল হাতির বসতি রূপে।
নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত এসব জায়গা ঢাকা থাকত শাল, টিক, গামারি, শিশু, তিতাচাপা, চালতা, সিধা, আহোই গাছে। এ ছাড়া ছিল ঘন বাঁশবন ও কলাগাছ। এসবই হাতির খাদ্যের জন্য আদর্শ।
২০০৬-০৭ থেকে ২০১৫-১৬ পর্যন্ত নগাঁওয়ের পাঁচটি বনাঞ্চলে বাঁশ রোপণের জন্য ধার্য হয়েছে ২.৩৫ কোটিটাকা। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, একেবারেই কাজ এগোয়নি। এর পশ্চিম কার্বি আংলং, হোজাইয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায়শই বুনো হাতি ঢুকে পড়ছে। গত ৭ দিনে নগাঁও জেলার বিভিন্ন জায়গায় হাতির আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের, জখম একাধিক।
অপরিকল্পিত বন ধ্বংস এড়াতে না পারলে হাতি-মানুষের সংঘাত থেকে অসমের রেহাই নেই।