মানব পাচার সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে অসমে, চমকে দেওয়ার মতো রিপোর্ট এনসিআরবি-র

4

নিউজ ডেস্ক : সম্প্রতি অসমের তিনটি জেলা থেকে বেশ কিছু কিশোরী উধাও হয়ে যাওয়ার খবর চমকে দিয়েছে সবাইকে। লখিমপুর জেলার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী মৌসুমী পেগু, ধেমাজি জেলার দশম শ্রেণির দুই ছাত্রী মমতা সিং ও নিকিতা সিং, বিশ্বনাথ জেলার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী রিঙ্কুমণি দাস উধাও। তার আগে উধাও হয়েছে ধেমাজির আরও দুই ১৭ বছরের কিশোরী খুশি তাঁতি ও গায়ত্রী পাঠক।

অসমের মানচিত্র দেখলেই বোঝা যাবে, উধাও কিশোরীরা থাকত উত্তর এবং উজান অসমে। শিরোনামে তিন জেলা – উত্তর লখিমপুর, ধেমাজি ও বিশ্বনাথ। সর্বশেষ ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো-র (এনসিআরবি) রিপোর্ট উত্তর-পূর্ব ভারতের তথ্য প্রকাশ করেছে। এই অঞ্চলের সব রাজ্যেই উধাও হওয়ার তথ্য পুলিশের কাছে খুব কম এসেছে।
২০২৪-এ অসমে মানব পাচারের ঘটনা ১০৮। যা উত্তর-পূর্ব ভারতে সর্বাধিক। অসমের পরেই ত্রিপুরা, যেখানে ৬২টি এমন ঘটনা।

মানব পাচারের শিকার হয়েছে অসমের ১৫৫ জন। এর মধ্যে ১৮ বছরের নীচে ৯৬ জন। পীড়িতদের মধ্যে রয়েছে ১২৬ জন মহিলা ও ২৯ জন পুরুষ। অসমের ৪২ জনকে বাধ্য করা হয়েছে শ্রমিকের কাজ করতে, ৩১ জন যৌন নিপীড়নের শিকার, ৩৭ জন ঘরোয়া পরিচারিক-পরিচারিকা, ১৮ জনকে বাধ্য করা হয়েছে বিয়ে করতে। ৪ জনকে ভিক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে, ২ জনের কিডনি তুলে নেওয়া হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক সত্য, হল এদের সবার বয়স ১৮-র নীচে।