নির্বাচন কমিশনকে চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

11

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ থাকার বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ‌ তাঁদের নিরপেক্ষতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে এবার নির্বাচন কমিশনের সচিবকে চিঠি দিলেন তিনি। চিঠিতে লেখা, তাঁদের দলের তরফে জমা দেওয়া নথি ও তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্ত প্রক্রিয়া যেন এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। একইসঙ্গে ঋতব্রত শিবির অর্থাৎ বিদ্রোহ শিবিরকে বাড়তি সময় ও সুবিধা না দিয়ে কমিশন যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।‌

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও সাগরিকা ঘোষ জানান, তৃণমূল কংগ্রেস দলটির প্রতীক ও তহবিল কার হাতে থাকবে, তা বিচারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে নির্বাচন কমিশন ৬ জুলাইয়ের মধ্যে জবাব দিতে বলেছিল। কালীঘাট তৃণমূল নির্ধারিত সময়ে নিজেদের নথিপত্র জমা দিয়েছেন।

সূত্রের খবর নির্বাচন কমিশনের কাছে, ঋতব্রত শিবির আরও খানিকটা সময় চেয়েছিল তথ্য জমা দেওয়ার। তার ভিত্তিতে কমিশন আরও ১৫ দিন অর্থাৎ ২৬ জুলাই পর্যন্ত তাদের সময় দিয়েছে অভিযোগ জানিয়েছে কালীঘাট শিবির। এতেই আপত্তি কালীঘাট শিবিরের। কেন অন্য শিবিরকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হচ্ছে? এই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

সাগরিকা ঘোষ ইডির বিরুদ্ধ পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন। বিরোধী দলগুলিকেই বেছে নিশানা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, অভিযোগ সাগরিকার।

এই চিঠি প্রসঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘‘আমরা কমিশনকে চিঠি দিয়েছি আইনজীবী মারফত। যদি আরও বড় তথ্য চায়, তা হলেও আইনজীবী মারফত তা পাঠানো হবে।”

এখন নির্বাচন কমিশনের চোখে আসল তৃণমূলকে সেটা সময় বলবে। ‌