অসমে বন্যা পরিস্থিতি, মৃত ৬২

36

নিউজ ডেস্ক: অসমে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, রাজ্যে বন্যার জেরে মৃত ৬২, অন্তত ৭.৫ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শিবসাগর, চরাইদেও, যোরহাট, গোলাঘাট, ডিব্রুগড়, হোজাই, নগাঁও, কামরূপ (মেট্রো), কার্বি আংলন, বিশ্বনাথ, ধেমাজি এবং শোণিতপুর জেলা। বন্যার জল থইথই করছে ৫৬,৬০৬ হেক্টর কৃষিজমিতে। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের এবং অসমের হাজার হাজার কৃষক ক্ষতির মুখে।
বন্যার জেরে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। এর মধ্যে শিবসাগরে ৬, চরাইওদেও জেলায় ৭ এবং যোরহাটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যার জেরে প্রভাব পড়েছে কামরূপ (মেট্রো) জেলার বিস্তীর্ণ অংশে। অন্তত ১০টি মিউনিসিপ্যাল ওয়ার্ডে জল ঢুকেছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১৫ হাজার বাসিন্দা।
শুক্রবার হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছিলেন যে প্রায় বন্যার জেরে ১১ লক্ষ বাসিন্দা ক্ষতিগ্রস্ত। দুহাজার গ্রাম জলের তলায়। ১৬২ আশ্রয় শিবিরে রয়েছে ৪১ হাজার বানভাসি মানুষ। বন্যাত্রাণে অসম সরকার ইতিমধ্যে ১১১ কোটি মঞ্জুর করেছে,যা দুর্গতদের উদ্ধার ও ত্রাণ বণ্টনে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এইসঙ্গে হিমন্ত বলেন, নাজিরায় প্রায় ৫০ হাজার এবং শিবসাগরে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের কাছে এখনও পৌঁছনো যায়নি। সেনাবাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা এবং এনডিআরএফ দুর্গতদের উদ্ধারের কাজ করছে। গোটা রাজ্যে আশ্রয় শিবিরে রয়েছে প্রায় দেড় লক্ষ ঘরহারা।
হিমন্তর দাবি, নাগাল্যান্ডে অত্যধিক বৃষ্টি ও মেঘভাঙা বৃষ্টির জল ঢুকেছে চরাইদেও এবং শিবসাগরে। তবে আশার কথা যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফোন করে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে।