AI ভবিষ্যতের বিপদ! ইস্তফা দিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি AI বিশেষজ্ঞের

4

নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সময়ে এআই হয়ে উঠেছে মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী, স্কুলের প্রজেক্ট থেকে শুরু করে নিত্য নতুন ছবি, সব কিছুতেই AI-এর ভূমিকা অতুলনীয়। কিন্তু সাম্প্রতিক এক এআই গবেষকের ইস্তফা ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে বিশ্বজুড়ে যখন প্রতিযোগিতা তুঙ্গে, তখনই বিস্ফোরক দাবি করলেন ২৭ বছরের এআই গবেষক জ্যাকব কক্সন। Open AI এবং অ্যানথ্রোপিকের মতো প্রথম সারির সংস্থায় প্রায় তিন বছর কাজ করার পর সম্প্রতি ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। চাকরি ছাড়ার পর এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে তিনি এআই-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন।
কক্সনের অভিযোগ, সুপারইন্টেলিজেন্স তৈরির লক্ষ্যে এআই সংস্থাগুলির মধ্যে যে প্রতিযোগিতা চলছে, তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাঁর দাবি, প্রযুক্তির সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে গবেষকদের একাংশ অবগত থাকলেও প্রতিযোগিতা থামছে না। বরং অন্য কোনও সংস্থা এগিয়ে যাবে—এই আশঙ্কাতেই একে অপরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এআই-এর ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।
কক্সনের মতে, অতি-বুদ্ধিমান এআই তৈরি হলে তা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাইবার নিরাপত্তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রেই বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটতে পারে। এমনকি এই দশকের মধ্যেই এআই মানব অস্তিত্বের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে AI SAFETY নিয়ে। অ্যানথ্রোপিকের অ্যালাইনমেন্ট সায়েন্স লিড ইভান হাবিনগারের মন্তব্যও সামনে এসেছে। তাঁর দাবি, আগামী এক দশকে এআই-এর কারণে মানুষের কাজের বিলুপ্তির সম্ভাবনা ১০ শতাংশেরও বেশি হতে পারে। একইসঙ্গে, অত্যন্ত শক্তিশালী এআইকে কীভাবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, সেই প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য সমাধান এখনও স্পষ্ট নয়।
ফলে একদিকে এআই-এর দ্রুত উন্নয়ন অন্যদিকে নিরাপত্তা—এই বিতর্ক আরও তীব্র হচ্ছে। কক্সনের পদত্যাগ এবং তাঁর প্রকাশ্য সতর্কবার্তা সেই বিতর্কেই নতুন মাত্রা যোগ করেছে।