নিউজ ডেস্ক: শুদ্ধিকরণের বিরুদ্ধে সরব লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের হলদিওয়ানির রামলীলা ময়দানে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সভার পর সেখানে শুদ্ধিকরণ করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ও বিজেপির সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু লোকজন।
রাহুল গান্ধী বলেছেন, ভারতের সংবিধান অনুযায়ী যে কোনও ধরনের অস্পৃশ্যতা অপরাধ। শুদ্ধিকরণ অস্পৃশ্যতারই আরেক রূপ। শুধু নাম বদলে গেছে, বিষয়টা একই। যারা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সভার পর রামলীলা ময়দানের শুদ্ধিকরণ করেছে তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে এফআইআর করার দাবি রাহুল গান্ধীর।
৮ আগস্ট উত্তরাখণ্ডের হলদিওয়ানির রামলীলা ময়দানে কংগ্রেসের সভায় ভাষণ পেশ করেন রাজ্যসভার সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়গে। ১০ আগস্ট আরএসএস-বিজেপি ঘনিষ্ঠ কিছু লোক সেখানে শুদ্ধিকরণের আয়োজন করে। রাজ্যসভায় ১৩ আগস্ট মল্লিকার্জুন খাড়গে এই বিষয়টি উল্লেখ করে খেদ প্রকাশ করেন। যদিও রাজ্যসভার লিডার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা, যিনি নিজে উত্তরাখণ্ডের সাংসদ, বলেছিলেন, বিষয়টা খুবই দুঃখের। উত্তরাখণ্ড সরকার এবিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।
রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, ঘটনার পর ২০ দিন পেরিয়ে গেছে, কিন্তু উত্তরাখণ্ড সরকার কোনও পদক্ষেপ করেনি। এটা শুধু কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে অপমান নয়, গোটা দলিত সমাজকে অপমান। অস্পৃশ্যতার যে কোনও ঘটনাই সংবিধান অনুযায়ী অপরাধ।
এরপর রাহুল গান্ধী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী এবিষয়ে একেবারে নীরব। এখান থেকে দলিতদের প্রতি আরএসএস-বিজেপির মানসিকতা বোঝা যায়।
Prev Post