নেপালে নিখোঁজ অসমের ১০ পর্যটক

32

নিউজ ডেস্ক: নেপালে হড়পা বানে মৃত্যু হয়েছে ৬০০ জনের। নিখোঁজ প্রায় দুহাজারতিব্বতে নিখোঁজ অন্তত ৪৫০। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন অসমের ১০ পর্যটক, জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা


সমাজমাধ্যমে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা লিখেছেন, এখন পর্যন্ত অসমের ১২ পর্যটকের কথা জানতে পেরেছি যাঁরা নেপালে গিয়েছিলেন এবং যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নিরাপদে ফিরিয়ে আনার যাবতীয় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।


এই ১২ জনের মধ্যে রয়েছেন কার্বি আংলং, গোলাঘাট, হোজাই, কামরূপ মেট্রো এবং নলবাড়ি জেলার বাসিন্দারা। কার্বি আংলংয়ের ডকমকা থানার দাইদাক গ্রামের তিন বাসিন্দা নিখোঁজ নেপালে, এঁরা হলেন ঋতুপর্ণ ব্রহ্ম, মন্ত্রী বসুমতারি। তবে প্রথমে নিখোঁজ থাকলেও যোগাযোগ হয়েছে সোনেশ্বর নার্জারির সঙ্গে।


গোলাঘাট জেলার মেরাপানি থানার জয়পুকুরি এলাকার রাহুল দৈমারি এবং হোজাই জেলার ডবকার বাসিন্দা শতদল নাথ রয়েছেন নিখোঁজদের মধ্যে।


কামরূপ মেট্রো এবং নলবাড়ির ছয় বাসিন্দা নিখোঁজ। এঁরা হলেন গুয়াহাটির রুক্মিণীগাঁওর বাসিন্দা পঙ্কজ নেওগ, নলবাড়ির পঙ্কজ বর্মন প্রথমে নিখোঁজ থাকলেও পরে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে, অরুণ মহন্ত নিখোঁজ। তবে সমর বেজবরুয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন গুয়াহাটির লঙ্কেশ্বরের দীপালি সরকার এবং মানস কুমার ঘোষ। নলবাড়ি মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তার তীর্থ চালিহা আছেন নিখোঁজদের মধ্যে।


হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন যে কার্বি আংলংয়ের দুই যুবক ঋতুপর্ণ ব্রহ্ম এবং মন্ত্রী বসুমতারি দুসপ্তাহ আগে নেপালে কাজের খোঁজে গিয়েছিলেন। তাঁরা কাজ করছিলেন ত্রিশূলি নদীর ওপর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে। ডবকার ২৮ বর্ষীয় শতদল নাথ নেপালে কর্মরত ছিলেন।