কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেই উপনির্বাচন করাবে নির্বাচন কমিশন

27

পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: রাজ্যে পালাবদল ঘটেছে।‌ তারপরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করেই হবে উপনির্বাচন। কারণ নির্বাচন কমিশনের একমাত্র লক্ষ্য অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করা।

দুই হেভিওয়েট বিধানসভা কেন্দ্র – নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচন। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে নন্দীগ্রামে ৩৭ কোম্পানি এবং রেজিনগরে ৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে মোট বুথের সংখ্যা ২৮২টি এবং রেজিনগর কেন্দ্রে মোট বুথের সংখ্যা ৩১৫টি। প্রতিটি বুথ এবং সংলগ্ন স্পর্শকাতর এলাকায় এই বাহিনী এলাকা দখল ও রুট মার্চ শুরু করবে খুব তাড়াতাড়ি।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই মুহূর্তে মোট ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আগে থেকেই অবস্থান করছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আপাতত রাজ্যে থাকা সেই বাহিনী থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের জন্য নির্ধারিত ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে।

আজকের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র খতিয়ে দেখার পর আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন হিসেবে। বিশাল বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, দুই হাইভোল্টেজ কেন্দ্রের উপনির্বাচনে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও প্রকার ফাঁকফোকর রাখতে নারাজ কমিশন।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মাঝেই এই দুই বিধানসভা আসনের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এবং হুমায়ুন কবীর নিজ নিজ আসন থেকে ইস্তফা দেওয়ায় উপনির্বাচন বাধ্যতামূলক।
৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর – এই দুই কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।