রেলস্টেশন সম্পূর্ণ বন্ধ করা যাবে না: সুপ্রিম কোর্ট

67

নিউজ ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টির ঘোষিত আন্দোলনের জেরে দিল্লির ৫৭টি স্টেশন বন্ধের ঘোষণা করা হয়েছিল। জরুরি ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি নিয়ে শুনানির দাবি করেন বরিষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিবাল ও অভিষেক মনু সিংভি।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বলা হয়েছে যে এমনভাবে ট্রেন ও মেট্রো চলাচলের অনুমতি দেওয়া উচিত যাতে দিল্লির নাগরিকদের কোনো অসুবিধা না হয়। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, মেট্রো চলাচলের ওপর কোনও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যাবে না। মেট্রো ও অন্যান্য রেল পরিষেবা যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে চালু রাখার বিষয়ে একটি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে, যাতে সাধারণ জনগণের কোনও অসুবিধা না হয় এবং সেই সিদ্ধান্তটি ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। এসংক্রান্ত নির্দেশিকা বা পরামর্শ সংবাদপত্র ও ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করতে হবে, যাতে শহরের অভ্যন্তরে যাতায়াতের সময় জনগণের কোনও ভোগান্তি না পোহাতে হয়।
আদালতে আইনজীবী মনু সিংভি বলেন, দিল্লিতে বিক্ষোভ রুখতে ২২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের আটক করে রাখতে অন্তত ১০টি অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টার তৈরি রাখা হয়েছে। দিল্লির প্রায় ৫৭টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ রাখার আর্জি জানানো হয়েছে। দিল্লির স্থানীয় হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলিকে নতুন করে কোনও অতিথিকে ঘর না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনের ভিডিয়ো তোলা বা প্রচার চালানোর ক্ষেত্রে ইউটিউবারদের নিষেধ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের আইডি কার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করা হয়েছে।
শুধু দিল্লি মেট্রোর ৫৭ স্টেশনই নয়, নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনও বন্ধ করার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর এখন দেখার কেন্দ্রীয় সরকার ১০ অক্টোবরের জন্য কী কী বিধিনিষেধ আরোপ করে।