বারুইপুরের পর এবার গাইঘাটাতেও এনকাউন্টার

26

পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: বারুইপুরের পর এবার গাইঘাটা। এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের দাবি, গভীর রাতে প্রহ্লাদ দাসকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গেলে পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় অভিযুক্ত বলে অভিযোগ। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। মৃত্যু হয় প্রহ্লাদ দাসের।

বারুইপুরের এক ছবি। শুধু ঘটনার সময় গত জুলাই মাস। তিন মাসের মাথায় একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল গাইঘাটাতে।

পুলিশ সূত্রে খবর, আত্মরক্ষার্থে এনকাউন্টার করতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা। রাতে ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণ করতে যাওয়া যাতে তা জানাজানি না হয়, আর নির্বিঘ্নে পুনর্নির্মাণের কাজ যাতে সম্পন্ন হয়। হঠাৎ পুলিশের থেকে বন্দুক ছিনিয়ে একের পর এক গুলি চালাতে শুরু করে অভিযুক্ত। তারপরই আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। ঘটনায় জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে অভিযুক্তকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

গত রবিবার সকালে গাইঘাটা থানা এলাকার একটি বাড়ির পিছন থেকে নাবালিকার অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়। নাবালিকার মা অভিযোগ করেছিলেন, মেয়েকে নিয়ে স্থানীয় একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। মেয়ে বান্ধবীদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করছিল। কিন্তু, কিছুক্ষণ পর থেকে তার আর খোঁজ পাননি। তারপরই রবিবার সকালে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। মায়ের অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে ধর্ষণে করে খুন করা হয়েছে। প্রহ্লাদ দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের পরিবার। এরপরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে গাইঘাটা থানার পুলিশ।