দিল্লিতে বন্ধ ফ্লাট থেকে উদ্ধার অধ্যাপিকার দেহ ,ঘটনার তদন্তে পুলিশ

40

নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে অধ্যাপিকার মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য। গতকাল দুপুরে বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে শিক্ষিকার দেহ উদ্ধার হয়। মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন, হাতের শিরা কাটা। ফ্ল্যাটের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। কীভাবে মৃত্যু হল ওই শিক্ষিকার, রাত থেকে ক্লু খুঁজছেন পুলিশকর্মীরা।

স্বামী থাকেন বেঙ্গালুরুতে। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন দেবস্মিতা পাল। প্রায় পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই মহিলা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত শিবাজি কলেজের সহকারি অধ্যাপিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গতকাল বিকেল ৩টে নাগাদ পুলিশ গিয়ে তাঁর বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে দেহ উদ্ধার করে।

জানা গিয়েছে, দেবস্মিতা পালের বোন দেবারতি সকাল থেকেই তাঁর দিদিকে ফোন করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু কোনও ভাবে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি হাজির হন পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্টে। বাড়ির দরজায় তালা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয় তাঁর। তিনিই তালা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন। এরপর দুপুর ২.৩৫ মিনিটে তিনি খবর দেন পুলিশে।

খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ভারী বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়েছে দেবস্মিতা পালের। বাড়িতে থাকা গয়না ও নগদ টাকা অক্ষত অবস্থায় ছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সে ক্ষেত্রে পুরনো কোনও আক্রোশ থেকে খুন হয়ে থাকতে পারেন দেবস্মিতা পাল, অনুমান তদন্তকারীদের। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনায় একাধিক সূত্র পেয়েছেন তাঁরা। শীঘ্রই আততায়ীকে গ্রেফতার করা হবে বলে দাবি তদন্তকারীদের।