বনবিভাগই জমি দিয়েছিল থাকতে, এখন তারাই গায়ে সেঁটে দিল অবৈধ বসবাসকারীদের তকমা!

22

নিউজ ডেক্স : জঙ্গলের সুরক্ষার বিনিময়ে জমি দিয়েছিল বনবিভাগ। নাগরিকত্ব প্রদান করেছিল সরকার। তবে কেন এখন উচ্ছেদ? প্রশ্ন এলাকাবাসীর। শীঘ্রই উচ্ছেদ চলবে ডবকার যমুনা মৌডাঙা সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় চলবে প্রশাসনের বুলডোজার। ভাঙা পড়বে ২০২ পরিবারের বাড়ি। ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে নোটিশ। উচ্ছেদের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে জেলা প্রশাসন।

প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ১৫২টি পরিবার। কিন্তু, মেলেনি কোনও সুরাহা। আদালত তাদের দখলকারী হিসেবে চিহ্নিত করে। এবং এক মাসের মধ্যে জমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। গত ৯ জুন এই রায় দিয়েছিল গুয়াহাটি হাইকোর্ট। নোটিশ পাওয়া বেশিরভাগ মানুষ বনবিভাগের চুক্তিভিত্তিক কর্মী। ৫০টি পরিবার তাদের যাবতীয় নথি জমা দিয়েছে বনবিভাগের অফিসে। তাদের দাবি, ১৯৭১ থেকে তারা বনবিভাগের সঙ্গে যুক্ত। মাস্টাররোল কর্মী হিসেবে তারা কাজ করে যাচ্ছে বনবিভাগের সঙ্গে।

প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ১৫২টি পরিবার

সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সুরক্ষার বিনিময়ে তাদের জমি দিয়েছিল বনবিভাগ। শর্ত ছিল, বছরে কুড়ি দিন তাদের বেতন ছাড়া কাজ করতে হবে বনবিভাগের জন্য। এ ছাড়া বনকর্মীদের সঙ্গে জঙ্গল ও জীবজন্তুর সুরক্ষায়ও নিয়োজিত ছিল তারা। খোদ বনবিভাগ তাদের সুযোগ দিয়েছিল সংশ্লিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে। তবে, কেন এখন বনবিভাগ তাদের গায়ে সেঁটে দিল অবৈধ বসবাসকারীদের তকমা? ৫৫ বছর পর কেন এই সিদ্ধান্ত? প্রশ্ন উচ্ছেদের নোটিশ পাওয়া মানুষের।