নিউজ ডেস্ক: মহারণে ফের মুখোমুখি গুজরাত বেঙ্গালুরু(GT vs RCB)। টানা দ্বিতীয়বার সেরার খেতাব কোহলিদের? না কি বিজয় যাত্রার পথে কাঁটা রশিদ, রাবাডা? কী বলছে আহমেদাবাদের মাঠে শেয লড়াইয়ের স্ট্যাটিস্টিক্স?
প্রথম প্লে অফে গুজরাতকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএলের ফাইনালে পাটিদারের বেঙ্গালুরু। ৯২ রানে হারের পরেও তৃতীয় প্লে অফে রাজস্থানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে আবারও বেঙ্গালুরুর মুখোমুখি শুভমনের গুজরাত। একদিকে ধোনি, রোহিতের মত টানা দ্বিতীয়বার ট্রফি জেতার হাতছানি কোহলি, পাটিদারের সামনে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ট্রফি জিতে জাতীয় টি ২০ দলে ওয়াপাসি করতে মরিয়া শুভমন গিল। তবে কী বলছে চলতি মরশুমের পরিসংখ্যান? গ্রুপ স্টেজ ও এলিমিনিটর পর্যায়ে কতবার মুখোমুখি দুই দল, কারাই বা এগিয়ে লড়াইয়ে?

আইপিএল-এর গ্রুপ স্টেজ ও প্রথম প্লে অফ মিলিয়ে তিন বার মুখোমুখি হয়েছে গুজরাত ও বেঙ্গালুরু। যার মধ্যে দু বারই জিতেছে বেঙ্গালুরু। একবার ঘরের মাঠ আহমেদাবাদে বেঙ্গালুরুকে চার উইকেটে হারায় গুজরাত। রবিবার সন্ধ্যায় চলতি মরশুমে চতুর্থবার, ফাইনাল খেলতে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি দুই দল। আহমেদাবাদে গত ম্যাচে গুজরাতের বোলারদের দাপটে ১৫৫ তেই স্তব্ধ হয় কোহলিদের ইনিংস। রশিদ, রাবাডা হোল্ডার ও আর্শাদের বোলিংয়ের সামনে টেকেনি বেঙ্গালুরুর দাপুটে ব্যাটাররা। মাত্র ২৮ রানে উইকেট হারান কোহলি, ক্যাপ্টেন পাটিদার করে ১৯ রান, পড্ডিকাল একা করেন ৪০ রান। জবাবি ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৩ রান করেনশুভমন, বাটলার করেন ৩৯ রান। ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬ ওভারের মধ্যেই রান তাড়া করে ফেলে গুজরাতের ব্যাটাররা।
চলতি মরশুমে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন শুভমন গিল। মোট ৭০০ রান করে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় দ্বিতীয় তিনি। ভালো রান পেয়েছে সাই সুদর্শনও। মরশুমে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়ে পার্পেল ক্যাপের দৌড়ে শীর্ষে কাগিসো রাবাডা। ফলে, ঘরের মাঠে দুরন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে লড়াইয়ে নামবে শুভমন গিলের দল। অন্যদিকে, এবার ব্যক্তি নির্ভরতা কমেছে বলেই জানিয়েছেন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পাটিদার। ভালো ফর্মে রয়েছেন কিং কোহলি থেকে শুরু করে ক্যাপ্টেন পাটিদার। ভাল খেলছেন ক্রণাল, টিম ডেভিড, পাড্ডিকালও। অন্যদিকে, বোলিং ডিপার্টমেন্ট সামলে রেখেছেন ভুবনেশ্বর, হেজেলউড, শেপার্ডের মত অভিজ্ঞ বোলাররা।

সবমিলিয়ে দিত্বীয় খেতাব ঘরে আনতে রবিবার সন্ধ্যায় মুখেমুখি হচ্ছে দুই দল। ক্রিকেটে স্ট্যাটিস্টিকস গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বহুবারই উল্টে পাল্টে গেছে বহু হিসাব। খেলা ঘুরে গিয়েছে শেষ বলে। তাই শেষ হাসি কে হাসবে তা জানতে আর মাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা।