৮ ঘণ্টার বেশি ইডি-র জিজ্ঞাসাবাদ! ‘ডেথ আর বার্থ সার্টিফিকেট ছাড়া সব দিয়ে এসেছি: মদন

15

পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: টানা ৮ ঘণ্টার বেশি ED-র জিজ্ঞাসাবাদ।‌ বুধবার বেলা ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। রাত সাড়ে ৯ টার পর বেরিয়ে আসেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা যা তথ্য চেয়েছেন তাই দিয়েছেন বলেই সাংবাদিকদের জানান মদন মিত্র। ইডি জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে মদনের দাবি, ‘সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। মুখে বলেছি, লিখিতভাবেও দিয়েছি। ইডির সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি। ডেথ আর বার্থ সার্টিফিকেট ছাড়া সব দিয়ে এসেছি।’

মদন মিত্রের বক্তব্য, ‘‘আমি কোনও অপরাধ বা বেআইনি কাজ করিনি। কোনও দুর্নীতির সঙ্গে আমি জড়িত নই। পরিবারের কথা আমি বলতে পারব না। কারণ, তাঁদের ব্যক্তিগত মতামত রয়েছে। তাই আমি আমার কথা বলছি। তবে যত দূর জানি, আমার পরিবারেরও কেউ দুর্নীতিতে যুক্ত নয়। আমি বিশ্বাস করি তাঁরা কোনও দুর্নীতি করেননি।’

তিনি আরও জানান, ‘আমার কাছে যা নথিপত্র চেয়েছিল, আমি তা দিয়েছি। কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের অধিকার আছে। যে কোনও নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলে তারা তদন্ত করতে পারে। আমার দায়িত্ব তাতে সহযোগিতা করা। সজ্ঞানে স্বেচ্ছায় তলবে সাড়া দিয়েছি এবং সহযোগিতা করেছি।’’

ইডির দাবি, টিটাগড় পুরসভায় মোটা অঙ্কের বিনিময়ে চাকরি পেয়েছিলেন ১২৫ জন। সেই তদন্তের সূত্রেই ইডির হাতে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের নাম উঠে আসে। এরপরই তাঁর একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। তল্লাশি চলে বিধায়কের অফিস, বাড়ি-সহ একাধিক জায়গায়। আগেও মদন মিত্রকে এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বুধবার ফের তাঁকে তলব করা হয়েছিল। ব্যাঙ্কের নথিপত্র-সহ বেলা ১২টা ১৫ নাগাদ ইডি দফতরে হাজিরা দেন মদন মিত্র। গত সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবারও হাজিরা দিয়েছেন মদনের দুই ছেলে। গত শুক্রবার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছেন মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্র।