নিউজ ডেস্ক: রামলালী ময়দানে বিরোধী সমাবেশ ঘিরে দিল্লি পুলিশের প্রস্তুতি তুঙ্গে। ভোটচুরিতে অভিযুক্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ, এসআইআর বাতিলের দাবি এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ ও রক্ষাকবচ সংক্রান্ত আইন বাতিলের দাবিতে রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে দিল্লিতে হাজির হয়েছে বিরোধী দলগুলির লক্ষাধিক নেতা-কর্মী। রামলীলা ময়দানের সমাবেশে ১০ লক্ষ মানুষের সমাবেশ করা লক্ষ্য বিরোধীদের। যদিও রামলীলা ময়দানে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের সঙ্কুলান হয় না।
বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন, সরাসরি রামলীলা ময়দানে যাবেন না, মিন্টো রোড-কনট প্লেস জংশন থেকে রামলীলা ময়দান পর্যন্ত মিছিল করবেন। যদিও দিল্লি পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তবে সমাবেশে সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব আসবেন কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়।
সমাবেশের আগে যান নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। রবিবার সকাল ১০ থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিল্লির বিভিন্ন অংশে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দিল্লির নেতাজি সুভাষ মার্গ টি-পয়েন্ট, রাজঘাট, দিল্লি গেট, আইটিও এ-পয়েন্ট, আজমের গেট রেড লাইট, রঞ্জিত সিং ফ্লাইওভার, ঝান্ডেওয়ালান গোলচত্বর, তুর্কমান গেট এবং মিরদার্ড চক-সহ মধ্য দিল্লির মূল চৌরাস্তা-মোড়গুলিতে ট্র্যাফিক ডাইভারশন কার্যকর করা হবে। বাহাদুর শাহ জাফর মার্গ, রাজঘাট-জেএলএন মার্গ, ডিবিজি রোড এবং মিন্টো রোডেও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে।
আইটিও এবং দিল্লি গেটের মধ্যে বাহাদুর শাহ জাফর মার্গ, রাজঘাট ও আজমের গেটের মধ্যবর্তী জওহরলাল নেহরু মার্গের অংশ, অরুণা আসফ আলি রোড, মিন্টো রোড, দেশবন্ধু গুপ্ত রোড ও বরাখম্বা রোডের পাশাপাশি কমলা মার্কেট ও হামদর্দ চকের আশেপাশের অংশে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। ডিবিজি রোডের দিক থেকে যাঁরা স্টেশনে আসবেন, তাঁরা চেমসফোর্ড রোড, কনট প্লেসের আউটার সার্কেল, মিন্টো রোড এবং ভাবভূতি মার্গ দিয়ে যেতে পারবেন। পূর্ব দিল্লি থেকে আসা যাত্রীদের আইটিও, দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ এবং ভাবভূতি মার্গ ব্যবহার করে স্টেশনে পৌঁছনোর পরামর্শ দিয়েছে দিল্লির ট্র্যাফিক পুলিশ।
Prev Post