পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: আজ ৯ অগাস্ট। সেই নৃশংস ঘটনার রাতের দুবছর পার। যার জন্য তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। রাস্তায় নেমেছিলেন সাধারণ মানুষ। আরজি কর কাণ্ডের ২ বছর পার হওয়ার পর ও উঠছে নানা প্রশ্ন। ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট। আরজি করের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ তদন্তভার নেয় সিবিআই। তারাও সঞ্জয় রায়কে একমাত্র অভিযুক্ত বলে উল্লেখ করে চার্জশিট দেয়। শিয়ালদহ আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন কারাবাসের নির্দেশ দেয়। কিন্তু, তিলোত্তমার পরিবারের দাবি, সঞ্জয় একা নয়, এরকম নৃশংস কাজে যুক্ত আরো অনেকে।
রাজ্যে পালাবদল। তিলোত্তমাকাণ্ড নিয়ে ফের তদন্ত। আবার তিলোত্তমার পরিবারের আবেদন মেনে সিবিআইকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই নতুন স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করেছে। তাতে নতুন অফিসার রয়েছেন। সেই অফিসাররা ঘটনার পরম্পরা অনুযায়ী, যাঁদের যাঁদের নাম উঠে আসছে, ফুটেজে দেখা গিয়েছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তার মধ্যে তিলোত্তমার সঙ্গে সেদিন রাতে যেসব সহকর্মী খেয়েছিলেন, তাঁদের বয়ান নিয়ে নিজেদের কাছে রাখছে।
অন্যদিকে স্বাস্থ্যভবন যেহেতু পৃথকভাবে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তে যেসব বয়ান উঠে আসবে, সেগুলি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে। বিশেষ তদন্তকারী দল একদম প্রথম থেকে তদন্ত শুরু করেছে যাতে তিলোত্তমার পরিবার সুবিচার পায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আজ পশ্চিমবাংলায় সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সকাল ১১টায় তিলোত্তমা স্মরণে ২ মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।