পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: আজ দ্বিতীয় দিন। সকাল ১০টায় হাজিরার নির্দেশ ছিল। দশ মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। শনিবার প্রায় ১০ ঘণ্টা ভবানী ভবনে জেরার পর সেখান থেকে বেরিয়ে সুমিত রায় সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে।
সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়াতে গাড়ি থেকে নেমে সোজা ঢুকে যান ভবানীভবনে। টালিগঞ্জের মহাবীরতলায় সুমিত রায়ের বাড়ি। সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে আরও দু’টি মামলা দায়ের হয়েছে। তাই রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সুমিত।
কিছুদিন আগে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে জমি দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়েছিল শালবনি থানায়। ওই মামলাতেই তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল পুলিশ। মাঝরাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির তালা ভেঙে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সাংসদের আপ্তসহায়কের খোঁজ মেলেনি। এদিকে কলকাতা হাইকোর্টের রক্ষাকবচের মামলা খারিজ হয়ে যেতে সুমিত রায় ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দেয়, পরবর্তী শুনানির দিন পর্যন্ত সুমিত রায়কে গ্রেপ্তার করা যাবে না। তবে তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন। আর শনিবারই ভবানীভবনে সশরীরে হাজির হয়েছিলেন সুমিত রায়। রবিবারও গেলেন।
শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ তিনি ভবনী ভবনে যান। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত ৮টা নাগাদ সিআইডি জফতর থেকে বার হন সুমিত। তখনই জানা যায় রবিবার আবার তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। সকাল ১০টায় ভবানী ভবনে হাজিরার নোটিস ধরিয়েছিল সিআইডি। দেখা গেল সকাল ৯টা ৪৯ মিনিটে তিনি সিআইডি দফতরে ঢোকেন।