পশ্চিম কাটিগড়ার জালালপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতি

17

১৪ মে, ২০২৬, অসম : কাছাড় জেলার পশ্চিম কাটিগড়ার জালালপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতি। জালালপুরের ভৈরবপল্লির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক চন্দন চক্রবর্তীর বাড়িতে মাঝরাতে সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য। রাত রাত সওয়া দুটো নাগাদ ঘরের জানালার শিক ভেঙে ঢুকেছিল ৭/৮ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল। সে সময় সকলেই ঘুমিয়ে ছিলেন। অন্ধকার ঘরে চোখে টর্চের আলো পড়তেই হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায় চন্দনবাবুর। তাঁর বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে সশস্ত্র এক ডাকাত ধমক দিয়ে চন্দনবাবুর কাছে আঙুল থেকে আঙটি খুলে দিতে বলে। কিছুই করার নেই বুঝতে পেরে চন্দনবাবু আঙুল থেকে আঙটি খুলতে খুলতে বলেন, এই আঙটি রুপোর। তখন সেই ডাকাতটি ফের ধমে বলে, দেরি করা চলবে না। সে হাতের অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মশারি কেটে ফেলে। চন্দনবাবুর কাছ থেকে আঙটি কেড়ে নিয়ে তাঁকে বিছানা থেকে তুলে আলমারি খুলতে বলে। আলমারি খোলা হলে লকার থেকে নগদ টাকা এবং সোনার গয়না ছিনিয়ে নেয়। চন্দনবাবুর স্ত্রী নন্দা চক্রবর্তীর শরীর থেকেও গলার হার এবং কানের দুল ছিনিয়ে নেয় তারা।
প্রায় চল্লিশ মিনিট ঘরের ভিতরে চলতে থাকে তাণ্ডব। পাশের ঘরেই ঘুমোচ্ছিলেন চন্দনবাবুর ভাই বাপ্পা। তুমুল আওয়াজে ঘুম ভেঙে যায় তাঁর। উঠে দরজা খুলতেই ডাকাত দলের এক সদস্য অস্ত্র দেখিয়ে বাপ্পাকে ফের ঘরে ঢুকতে বাধ্য করে। এরপর তারা রান্নাঘর থেকে একটি এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে সেখান থেকে চম্পট দেয়।
খবর পেয়ে ভোরের দিকে গুমড়া থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার প্রণব মিলি সহ পুলিশ বাহিনী ছুটে আসে জালালপুরে। ডাকাতির খবর পেয়ে ছুটে আসেন কাটিগড়ার ভাবী বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ সহ অন্যান্যরা। ঘটনাটি নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে পুলিশে তদন্ত।