পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে হাসপাতাল থেকে চম্পট দিল ধর্ষণে অভিযুক্ত আসামি! ঘটনায় চাঞ্চল্য বালুরঘাটে

32

সন্তু দাস, দক্ষিণ দিনাজপুর: সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে মেডিক্যাল করাতে নিয়ে এসে বিপত্তি। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে চম্পট দিল ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত আসামি লিটন সরকার। শনিবার দুপুরে বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এমন ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস। চম্পট দেওয়া আসামির খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত চম্পট দেওয়া আসামির কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই আসামির নাম লিটন সরকার। বয়স ৩৮ বছর। বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন থানার উত্তর শরিফাবাদে। ধর্ষণের মামলায় বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের সাজা খাটছিল অভিযুক্ত যুবক। ২০১২ সালের একটি ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত ছিল সে।

প্রত্যক্ষদর্শী নান্টু মার্ডি জানান ‘একজনের পিছন, পিছন দুই জন পুলিশকর্মী ছুটছিলেন। বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বরে তখন অনেক মানুষ ছিলেন। ভরদুপুরে অনেকেই দেখেছেন এক যুবকের পিছনে দু’জন পুলিশকর্মী ছুটছেন। আমরা ভেবেছিলাম নেশাখোর বা জুয়ারি কোনও যুবককে ধরতে পুলিশ ছুটছে। কিন্তু পুলিশ এক বারও চিৎকার করেনি। ফলে কেউ বুঝতেই পারেনি ওই যুবক ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত। যদি পুলিশ একবারও বলতো তবে আমরাই অভিযুক্তকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিতাম।’
চোর পালালে যে বুদ্ধিবারে তা এখন মানছে পুলিশও। অভিযুক্তকে ধরতে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট থানার পুলিশ। কি করে দিনে-দুপুরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত আসামি লিটন সরকার পালাল তা জানতে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁদের হেফাজত থেকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত আসামি পালাল, জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে সেই সমস্ত পুলিশকর্মীদেরও