সই বিতর্কের মধ্যেই ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, আগের ইতিহাস স্মরণ করালেন

8

নিউজ ডেস্ক: সই জাল কাণ্ডের রেশের মধ্যেই ফের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দিলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্বিতীয় চিঠিতেও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নাম প্রস্তাব করলেন। পাশাপাশি তৃণমূলের উপ দলনেতা হিসাবে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রের নামই রয়েছে। এবং মুখ্য সচেতক হিসেবে ফিরহাদ হাকিমের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০০১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের কথা মনে করিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। চিঠিতে তিনি অনুরোধ করেন, পূর্বের নজির এবং বিধানসভার দীর্ঘ দিনের প্রথা মেনে বিরোধী দলনেতাকে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। ২০০১ সালে তৃণমূলের তরফে প্রয়াত পঙ্কজ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার সুপারিশ করা হয়েছিল। তৎকালীন স্পিকার সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছিলেন। ২০০৬, ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে একই প্রথা মেনে পদক্ষেপ করা হয়েছিল। ২০২১ সালে বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীর নাম বিরোধী দলনেতা হিসাবে সুপারিশ করেছিল। তৎকালীন স্পিকার তা মেনে নিয়েছিলেন।

১ জুন বিধানসভার স্পিকারকে অভিষেকের লেখা চিঠি।


সোমবার নবান্নে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, বিধায়কদের সই নকল করার বিষয়ে স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতেই বিধানসভার তরফে হেয়ার স্ট্রিট থানাকে জানানো হয়। সই জালিয়াতিকাণ্ডের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রথম চিঠি পাওয়ার পরই স্পিকার স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, এইভাবে কোনও দলের নেতা বিরোধী দলনেতা চেয়ে চিঠি দিতে পারেন না। পরিষদীয় দলের নীতি, সংশ্লিষ্ট দল তার বিধায়কদের নিয়ে একটা বৈঠক করবেন। সেই বৈঠকে বিধায়করা বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করবেন। দলনেতা নির্বাচনের মিনিটস অর্থাৎ আলোচনার সূচি লিখিত হবে। সেখানে বাকি বিধায়কদের সই থাকবে। সেটি বিধানসভায় জমা দিতে হবে। কিন্তু সেখান থেকেই বিভ্রান্তির সূত্রপাত। তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অভিযোগ করেন যে প্রস্তাবে ৮০ জন বিধায়কের সই রয়েছে তার মধ্যে ব্লক লেটারে লেখা সই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই দাবি করেছেন সেই সই তাদের নয়।