পৃথা দাশগুপ্ত: বারুইপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। পুলিশ সরে গেছে মাঝরাতেই। তারপরেই বারুইপুরের উদ্দেশে রওনা দেয় কালীঘাট তৃণমূলের সদস্যরা। টিমে ছিলেন প্রতিমা মণ্ডল, বিমান ব্যানার্জি, দোলা সেন, অনিতা কর। ৬ সদস্যের সিট গঠন করে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রবিবারই। সোনারপুর-সহ বারুইপুর লাগোয়া কয়েকটি এলাকায় জারি রয়েছে ১৬৩ নং ধারা।
বারুইপুরে উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দোলা সেন বলেন, ‘আমরা রোজ এখানে আসি, তেমনই এসেছি। পার্টি অফিসে এসেছি, সে নিয়ে কী জবাব দেব। সুপার ইমার্জেন্সি চলছে কালীঘাটে, ভাল তো। ভয় নাকি চলে গেছে, ভরসা এসে গেছে, তার প্রমাণ তো দেখছেন। একজন নেত্রী তিনি বারুইপুর যাবেন হয়তো বলেছেন, বারুইপুর যেতে পারেন, ব্যাস হয়ে গেল সুপার ইমার্জেন্সি। রুট মার্চ হয়েছে এখানে রাতে। জরুরি অবস্থা আমরা দেখতে পাইনি, এখন দেখে নিচ্ছি।’
বারুইপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হতে গিয়ে কালীঘাট তৃণমূলকে মাঝপথে বাধা পেতে হয়েছে। মাঝপথে আটকানো হয়েছে তাদের গাড়ি। দোলা সেনের বক্তব্য পুলিশ সুপারের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেই রওনা দিয়েছেন। তাহলে কেন তাঁদের গাড়ি আটকানো হলো। এরপরে গার্ডরেল খুলে দেওয়া হয়। বারুইপুরে পৌঁছায় কালীঘাট তৃণমূলের টিম। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা।
রবিবারই ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফোনে মৃতার বাবার সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ সন্ধের পর পুলিশি তৎপরতা দেখা যায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে। অভিযোগ, বারুইপুরে যাওয়া আটকাতে তৃণমূল নেত্রীকে বিজেপির নির্দেশে হাউজ অ্যারেস্ট করা হয়েছে। সোমবার সকালে বারুইপুর যান তৃণমূলের দোলা সেন, সাংসদ প্রতিমা মণ্ডলরা।