ফের ২১ শে‌ জুলাইয়ের আগে ধর্মতলায় জমায়েত বন্ধ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ কালীঘাটপন্থী তৃণমূল

22

পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: কলকাতা পুলিশের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।‌ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ,২ জুলাই থেকে ৩০ অগস্ট পর্যন্ত মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা (চার বা তার বেশি জনের জমায়েত নিষিদ্ধ) জারি করা হয়েছে। এই অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বর। এই ৭ দিনের সময় সীমার মধ্যে একুশে জুলাই পড়ছে। ফলে চিন্তিত কালীঘাট তৃণমূল শিবির। তাই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বরে জমায়েতের উপর কেন ৬০ দিন ধরে নিষেধাজ্ঞা জারি ? এই প্রশ্ন তুলেই মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হল কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে। কলকাতা পুলিশের জারি করা বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করেছে এই মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। হাই কোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

একুশে জুলাই নিয়ে এমনি টানাটানি। মমতা পন্থী তৃণমূল শিবির এবং ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল শিবিরের মধ্যে। ‌ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার জানিয়েছেন, ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির জন্য তাঁরা পুলিশি অনুমতি পেয়েছে, ফলে তাঁদের শিবিরের জোর কদম প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। স্থান‌,ধর্মতলার জওহরলাল নেহরু রোডে গাঁধী মূর্তির পাদদেশ।‌ অন্য দিকে, কালীঘাট-তৃণমূল শহিদ দিবস ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই করতে অনড়। পুলিশের অনুমতি ছাড়া ওই জায়গা মাপ নিতে গিয়েছিলেন কালীঘাট-তৃণমূলের কুণাল ঘোষ, দোলা সেনরা। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। এখন দেখার ২০২৬ – এর একুশে জুলাইয়ের জল আর কতদূর গড়ায়। ‌