রাজারহাটে ভাড়াবাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ঘটনার তদন্তে এন আই এ

23

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:উত্তর ২৪ পরগনার রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়ণপুরের সুপারিবাগান এলাকায় একটি বাড়িতে বিস্ফোরণ। ঘটনার তদন্তে এন আই এ। বিস্ফোরণের জেরে বাড়ির একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত । আহত এক।‌ কয়েকদিন আগে এক ব্যাক্তি ওই বাড়িটি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে। শনিবার গভীর রাতে আচমকাই বাড়ির ভিতর থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। শব্দে আশপাশের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

বিস্ফোরণের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে ঘরের দরজার লক ছিটকে যায়, কাঠের দরজা ভেঙে চুরমার হয়ে যায় এবং বিদ্যুতের মিটার বক্সও ছিটকে দূরে গিয়ে পড়ে। আশপাশের ঘরের কংক্রিটের অংশ ভেঙে পড়ে এবং গোটা এলাকায় বারুদের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয়দের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত এগোচ্ছে।

বিস্ফোরণের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে ঘরের দরজার লক ছিটকে যায়, কাঠের দরজা ভেঙে চুরমার হয়ে যায় এবং বিদ্যুতের মিটার বক্সও ছিটকে দূরে গিয়ে পড়ে। আশপাশের ঘরের কংক্রিটের অংশ ভেঙে পড়ে এবং গোটা এলাকায় বারুদের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।‌

ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বিস্ফোরণের কয়েক মিনিট আগে এক ব্যাক্তি সাদা রঙের একটি ব্যাগ হাতে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে একটি ঘরে প্রবেশ করছে। কিছুক্ষণ পর সে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতেই বিকট বিস্ফোরণ হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই কিশোরকে মহম্মদ শামিম ওরফে সেলিম নামে এক ব্যক্তি একটি ব্যাগ দিয়ে ঘরে খাবার পৌঁছে দিতে বলেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, কিশোরটি ব্যাগ রেখে বেরিয়ে আসার প্রায় ৫ থেকে ৭ মিনিটের মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটে।

বাড়ির মালিক জুলফিকার আনসারির দাবি, যে ঘরে বিস্ফোরণ হয়েছে সেটি মহম্মদ শামিম ওরফে সেলিম নামে এক ব্যক্তি দু’দিন আগে ভাড়া নিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে কামারহাটির বাসিন্দা বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত ভাড়ার চুক্তি হয়নি।

বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এন‌ আই এ, বেঙ্গল এস টি এফ, সি আই ডি-র বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড, নিউটাউনের ডিসিপি এবং বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরা।

ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই স্থানীয় দালাল মহম্মদ শাহেনশাহকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তিনিই ওই ঘরটি ভাড়া নেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। বিস্ফোরণের নেপথ্যে কী উদ্দেশ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।