নিউজ ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বিতীয় রাউন্ডের বৈঠক শেষ হল। দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। ককরোচ পার্টির পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস।
বৈঠকের পর আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা আমাদের প্রথম দাবি। এবিষয়ে সরকার আমাদের থেকে সময় চেয়েছে। শনিবার ফের বৈঠকের কথা বলেছেন মন্ত্রীরা। এ ছাড়া সোমবার সংসদ চলো অভিযানের জেরে যেসব পড়ুয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে আমরা। এইসঙ্গে নিট প্রশ্নফাঁসের পর হতাশায় যেসব পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছে তাদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি ককরোচ জনতা পার্টির।
এনিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, সরকার নীতিগতভাবে সব এফআইআর প্রত্যাহার করা এবং যারা আত্মহত্যা করেছে তাদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি মেনে নিয়েছে। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে সরকার স্পষ্ট কোনও কথা বলেনি। তবে একদিন সময় চেয়েছে, আগামীকাল ফের বৈঠকের কথা বলেছেন দুই মন্ত্রী।
এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ছাড়া এই আন্দোলন থামবে না, অন্য কোনও শর্তেই আমরা আন্দোলন বন্ধ করব না।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ও জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পড়ুয়াদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তারা যেন যন্তরমন্তরে প্রতিবাদে যোগ না দেয়। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এনিয়ে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এত সাহস হয় কীভাবে? পড়ুয়ারা কোথায় যাবে সেটা তারাই ঠিক করুক।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে শুক্রবার বার বার সংসদের অধিবেশন পণ্ড হয়। শেষপর্যন্ত গোটা দিনের লোকসভার কাজকর্ম বাতিল হয়ে যায়।