পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: ফাঁড়া আর কাটছেই না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আবার নতুন এফআইআর। সাংসদের অপর একটি মন্তব্যের জেরে এই এফ আই আর দায়ের। এমনিতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে পাহাড় সমান। তিনি কলকাতা হাইকোর্টে রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন। তাতে সাড়া দেননি বিচারপতি।
“২০৩১ বেঁচে থাকলে সুদ- সমেত সব হিসেব ফিরিয়ে দেব”- হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ৮টি ধারায় এফআইআর দায়ের করেছেন রাজীব সরকার নামে এক যুবক। এমনকী ওই মন্তব্যের ভিডিও জমা দিয়েছেন বলেও পুলিশ সূত্রে খবর। আর তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আমতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা কাজ শুরু হয়েছিল। কারণ তা ছিল বেআইনি, এমনটাই দাবি প্রশাসনের । এই পার্টি অফিসে বসেই যাবতীয় কাজ করতেন সাংসদ। কলকাতা হাইকোর্ট অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেওয়ার পর ভাঙার কাজ আপাতত বন্ধ। এই পার্টি অফিস ভাঙার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেছিলেন, ‘এই বিল্ডিংয়ের প্ল্যান-সহ যাবতীয় বৈধ নথি সব রয়েছে। সেসব আদালতে জমা আছে। মামলা চলছে। সুতরাং বিচারাধীন অবস্থায় এভাবে ভাঙা যায় নাকি? তা সত্ত্বেও স্রেফ ক্ষমতা দেখাতে অনেক কিছু করা হচ্ছে। তবে মনে রাখবেন, প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান এবং বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে।’
পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন, ‘যে আইনের যেউ ধারায় এই সব অত্যাচার করা হচ্ছে সেই আইনের সেই ধারায় আবার তা ফিরিয়েও দেওয়া হবে। এই কথাগুলি যেন মনে রাখে বিজেপি নেতারা। আর যদি ঈশ্বর, সর্বশক্তিমানের আশীর্বাদে বেঁচে থাকি, ২০৩১ সালে সুদ-সহ সব ফিরিয়ে দেব।’ এই মন্তব্যের জেরেই এফআইআর হয়েছে।