গণতন্ত্রের জয়: অভিজিৎ দীপকে

24

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিতেই যন্তর মন্তরে উল্লাসে ফেটে পড়ে আন্দোলনকারীরা। চোখে জল দেখা যায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের। প্রায় সকল আন্দোলনকারীর চোখে তখন আনন্দাশ্রু। যন্তরমন্তরে মঞ্চ থেকে অভিজিৎ বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাই প্রমাণ করে যে আপনারা যদি ভয় না-পান, সরকারের কাছে মাথা নত না করেন, তবে আমরা যে কারও পদত্যাগপত্র আদায় করতে পারি। অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, পরিবর্তনের জন্য ধারাবাহিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের বিকল্প কোনও পথ নেই।
ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, সন্ধে ৬টায় মোমবাতি মিছিলের পরিকল্পনা আছে, কেন্দ্রীয় সরকার অনুমতি দিলে সেটা হবে।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় ককরোচ জনতা পার্টির পাশাপাশি উল্লসিত বিরোধী শিবির। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ছাত্রদের কণ্ঠস্বর শেষপর্যন্ত আগ্রাসী শক্তির দুয়ারে পৌঁছেছে। এটা ভারতের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার জয়। এটা সত্যের জয় এবং নরেন্দ্র মোদীর ঔদ্ধত্যের পরাজয়।
কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ধন্যবাদ জানিয়েছেন যুবসমাজকে। তিনি বলেছেন, এটা ভারতের যুবশক্তির জয়। ওরা সেটাই করেছে মহাত্মা গান্ধী যা আমাদের শিখিয়েছেন। ভারতের শাসক, নেতা, সরকারের কাছে এটা শিক্ষা হয়ে থাকবে যে মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু করা যায় না। বহু বিরোধিতা, অত্যাচারের পরও ছাত্র-যুব যেভাবে লক্ষ্যের প্রতি অটল থেকেছে, ওদের ধন্যবাদ। অবশেষে ভারতের যুবশক্তি পথে নেমেছে।
উদ্ধব শিবসেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেছেন, ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। মোদী-শাহ অপ্রতিরোধ্য নন, তাঁদেরও যেতে হবে। আর আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, এটা গণতন্ত্র জয়, ছাত্রসমাজের জয়। কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর বলেছেন, পড়ুয়াদের দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধে গণতন্ত্রের জয়।