ধর্মেন্দ্রর ইস্তফায় গণতন্ত্রের জয় হিসেবে উল্লেখ সোনম ওয়াংচুকের, এবার কোন সংস্কারের ইঙ্গিত পরিবেশকর্মীর!
নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর হাসপাতাল থেকেই জয়ের হাসি হাসলেন সোনম ওয়াংচুক। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকারীদের সঙ্গে থেকে অনশনে বসেন পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার পর সোনম এক্স পোস্টে লেখেন, ‘এটি গণতন্ত্রের জয়—সরাসরি গণতন্ত্র… যা উঠে এসেছে রাজপথ থেকে। এটি শান্তি, ধৈর্য ও অদম্য সংকল্পের জয়। অভিনন্দন সিজেপি (CJP) ও দেশের Gen-z কে; আর দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে জেগে ওঠার জন্য এবং ভয় ও ‘ভয়ের আতঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলার জন্য সকল নাগরিককে জানাই ধন্যবাদ। এবার লক্ষ্য—সংস্কার।’
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে প্রায় একমাস হয়ে গেল প্রতিবাদ-অবস্থান করছে ককরোচ জনতা পার্টি। সেখানে লাদাখের সমাজকর্মী, পরিবেশবিদ, শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক সহ অনশন করছিলেন নেহা বরা প্রমুখ। সোনমকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায় হাসপাতালে। কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যস্থতায় সোনম অনশন ভাঙেন। তারপরও ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনড় ছিল ককরোচ জনতা পার্টি। গত সোমবার সিজেপির সংসদ চলো অভিযানে পড়ুয়াদের ওপর পুলিশ যথেচ্ছ লাঠি চালায়। পাল্টা পড়ুয়াদের প্রতিবাদে আহত হন কয়েকজন পুলিশকর্মী। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিদেশেও ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ইতিমধ্যে ককরোচ জনতা পার্টির দুবার বৈঠক হয়েছে। সেখানে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সহ মূলত তিনটি দাবি জানান সিজেপি প্রতিনিধি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা সহ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসে আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দাবিটি সরকার মেনে নিলেও এক নম্বর দাবি শুক্রবার পর্যন্ত মানা হয়নি। কেন্দ্রের তরফে জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহ জানিয়েছিলেন, শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের তাঁরা ‘ককরোচ’দের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। তার দেড় ঘণ্টা আগেই তাঁদের প্রথম দাবি মেনে নেয় সরকার।