নিউজ ডেস্ক: অসমে ভয়াবহ বন্যায় ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬৮ জনের। অন্তত ছয়টি জেলায় এখনও বন্যার প্রকোপ চলছে। বন্যাত্রাণে অসমের সব বিধায়ক এক মাসের বেতন দানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু সরকার পক্ষের বিধায়ক নয়, বিরোধী কংগ্রেস, এআইইউডিএফ, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করাও জানিয়েছেন এক মাসের বেতন বন্যাত্রাণে দান করতে সহমতের কথা। ইতিমধ্যে এআইইউডিএফ বিধায়ক বদরউদ্দিন আজমল বন্যাত্রাণে ২ কোটি টাকা দিয়েছেন। তাঁর দলের আরেক বিধায়ক এক মাসের বেতন দান করবেন এ ছাড়া আরও দুলক্ষ টাকা বন্যাত্রাণে দেবে এআইইউডিএফ।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সোমবারই জানিয়েছিলেন যে বিজেপি কর্মীদের থেকে ১২ কোটি টাকা বন্যাত্রাণে সংগ্রহ করা হবে। বন্যাক্রান্ত দুলক্ষ মহিলা ও দুলক্ষ শিশুর বস্ত্র কিনতে এই টাকা খরচ করা হবে। বিশেষ করে শিবসাগর, চরাইদেও, যোরহাট এবং গোলাঘাট জেলার বন্যার্ত বাসিন্দাদের জন্য।
হিমন্ত বলেন, বন্যাত্রাণে ২০০০ টাকা পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের কাছে। এর বেশি অর্থের দান অসম বিজেপির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করতে হবে।
অসমের কৃষিমন্ত্রী পীযূষ হাজরিকা জানিয়েছেন যে যোরহাট, শিবসাগর এবং চরাইদেও জেলার কৃষকদের কাছে চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে ধানের বীজ বণ্টন করা হবে বিনামূল্যে।
অসমের বন্যাত্রাণে কেন্দ্রের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের দাবি করেছেন বদরউদ্দিন আজমল। সোমবার অসমের বন্যায় আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গে। অসমের বন্যা দূর করতে বিজ্ঞানগত প্রযুক্তি ও পরিকাঠামো তৈরির কথা বলেছেন রাহুল গান্ধী।