অসমের সংস্কৃতি রক্ষায় ভূমিসংস্কার বিল: হিমন্ত

40

নিউজ ডেস্ক: অসমের সাংস্কৃতিক এবং কয়েকশো বছরের বৈষ্ণব ঐতিহ্য রক্ষাভূমি ও রাজস্ব বিল, ২০২৬ আনা হয়েছে, মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার।


হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি হেরিটেজ প্রতিষ্ঠানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে শুধু অসমের মূল বাসিন্দারা থাকতে পারবে। বরপেটা সত্র, মাজুলি ও বটদ্রবার কথা উল্লেখ করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী।


হিমন্তর দাবি, অসমের বিভিন্ন হেরিটেজ স্থানে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ঘটেছে। অসমের ঐতিহ্যময় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের রক্ষাকবচের জন্যই ভূমি সংস্কার বিল প্রয়োজন।


বরপেটা সত্রের উল্লেখ করে হিমন্ত বলেন, পাঁচ দশক এরকম একটা প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছিল। সত্রের মূল চরিত্র সংরক্ষণ করতে পাঁচ কিলোমিটার অঞ্চলে অসমের মূল বাসিন্দাদের থাকার জায়গা দিতে হবে। বরপেটা সত্রের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে বেশ কয়েকটি মসজিদ তৈরি হয়েছে, যা সত্রের মূল চরিত্রের বিরোধী। তাঁর মতে, বরপেটা সত্রের পাশে স্থানীয় বাসিন্দারাই চান সত্রের সংরক্ষণ।


হিমন্ত বিশ্ব শর্মা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এটা কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নয়, কিন্তু অসমের সংস্কৃতিকে রক্ষার এ ছাড়া অন্যউপায় নেই। তিনি বলেন, আমাদের কারও বিরুদ্ধে কোনও বিরূপ মনোভাব নেই। আমরা চাই হেরিটেজ প্রতিষ্ঠানের মূল চরিত্র বজায় থাকুক।


হিমন্তর মতে, এই বিল পাশ হয়েছে শুধু শাসক দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নয়, বরং অসমের সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করার জন্য গোটা বিধানসভার সম্মতিতে।


বিলে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক স্থাপত্যের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে জমি কেনাবেচা করতে পারবে একমাত্র অসমের মূল নিবাসীরা। অন্তত তিন পুরুষ ধরে যারা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বসবাস করছে তারাই জমি কিনতে বা বিক্রি করতে পারবে। যেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বয়স ২৫০ বছরের বেশি সেখানেই এই নীতি প্রযুক্ত হবে।