ফের হিংসা মণিপুরে, সর্বাত্মক ধর্মঘট কাংপোকপিতে

35

নিউজ ডেস্ক: হিংসায় উত্তপ্ত মণিপুরের কাংপোকপি জেলা। কুকি গ্রামে মর্টার হামলা ও বোমা বিস্ফোরণের পর সর্বাত্মক বনধের ডাক কুকি সংগঠনের। দোকান, স্কুল-কলেজ, যানবাহন সম্পূর্ণ বন্ধ কাংপোকপি জেলায়।
কাংপোকপি জেলার আইটি রোড বলে পরিচিত ইম্ফল-তামেংলং রোডের পাশে টিউইলাং এলাকার তেইখাং কুকি-জো গ্রামে সোমবার নাগা জনগোষ্ঠীর আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে দুই মহিলা সহ তিনজনের। তার প্রতিবাদে সর্বাত্মক ধর্মঘট চলছে কাংপোকপি জেলায়।
কুকি সংগঠনের অভিযোগ, এই হামলার পেছনে হাত রয়েছে দুই উগ্রপন্থী সংগঠন এনএসসিএন এবং জাফ-কে গোষ্ঠীর। তিন মৃতের দেহ কাংপোকপি হাসপাতালের মর্গে আসতেই বিক্ষোভ শুরু হয়। মৃতদের আত্মীয় ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।
যানবাহন যাতে চলতে না পারে সেজন্য আইটি রোডে বড় বড় পাথর এবং গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। এই ধর্মঘটের মাঝেই মঙ্গলবার গভীর রাতে মর্টার হামলা হয়েছে টিউইলাং এলাকায়। এই হামলায় এক কুকি যুবক আহত।
কাংপোকপি জেলায় নাগা ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে গত কয়েকদিন ধরেই সংঘর্ষ চলছে। কুকি সংগঠনের মুখপাত্র লান কিপজেন বলেছেন, কাংপোকপির আইটি রোড এলাকায় টাংখুলের এনএসসিএন-আইএম এবং জাফ-কে উগ্রপন্থীরা আক্রমণ করছে। এরপরই তিনি বলেছেন, আশা করি প্রশাসন এবং সরকার ২০২৩ সালের মতো ভুল করবে না। না হলে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের দিকে চলে যাবে মণিপুর।
লান কিপজেন বলেছেন, ২০২৩ সালের ৩ মে যে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল সেটা স্বচ্ছন্দে এড়ানো যেত যদি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং সঠিক সময়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতেন। বল এখন মণিপুর সরকারের কোর্টে। আশা করি নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন।