ধুবড়িতে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য

35

নিউজ ডেস্ক: ধুবড়ির গৌরীপুরে বালি মাফিয়াদের একটি ট্রাক ধরতে গিয়ে প্রহৃত হয়েছেন দুই বনকর্মী। ধুবড়ি ফরেস্ট চেক গেটের বাদলমারা পেট্রল পাম্পের কাছে একটি বালি বোঝাই ট্রাকের তল্লাশি করে বনকর্মীরা। গাড়ির চালক বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এরপর ওই ট্রাককে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল গৌরীপুরের বন দফতর চত্বরে।
রাস্তায় একটি চার চাকার গাড়ি ওই ট্রাক বা ডাম্পারের সামনে এসে দাঁড়ায় নারীসমিতি এলাকার গৌরীপুর জাতীয় বিদ্যালয়ের সামনে। চার চাকা গাড়ির চালক ডাম্পারের চালককে বলে সব বালি ফেলে দিতে। ডাম্পারটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মারলে এলাকার বিদ্যুৎ চলে যায়। বনকর্মীরা চার চাকার গাড়িকে বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। বনকর্মী রন্টু পাঠককে ডাম্পার থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। আরেক বনকর্মী আলিমুদ্দিন শেখকে প্রচুর মারধর করা হয়েছে।
দুই বনকর্মীকে মারধর করার পর রাস্তায় সব বালি ফেলে ডাম্পার নিয়ে উধাও হয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। দুটি গাড়ির সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে গৌরীপুর পুলিশ।
অন্যদিকে, মানবপাচারের চক্র থেকে ধুবড়িতে দুই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া এই চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এক মহিলাকে।
গৌরীপুরের চিতলকাটি এলাকার আবুল হুসেনের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় দুই তরুণীকে। দুজনেরই বাড়ি বরপেটা জেলার ভেল্লায়। তাঁদের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল গৌরীপুরে। পুলিশের দাবি, পাচারচক্র তাদের বিহারে বিক্রি করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে আলমগঞ্জের বাসিন্দা মরিয়ম বিবিকে।
উজান অসমের দেরগাঁওয়ে উদ্ধার করা হয়েছে নয় বছরের একটি মেয়েকে। এই বালিকাকে তার এক আত্মীয়া অপহরণ করে ৬০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল বলে পুলিশ সূত্রের খবর। পুলিশের দাবি, বালিকার মামা সাগর ঘোষ এবং তাঁর স্ত্রী মনীষা ঘোষ তিন দিন ছিলেন মরিয়নির লোকনাথ ভবনে। মঙ্গলবার দুপুরে দুজনে তাঁদের আত্মীয়র বাড়ি গিয়ে বালিকাকে অপহরণ করে।
বিকেল পাঁচটার সময় বালিকার পরিবারে একটি ফোন আসে যে ৬০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিলে মেয়েকে পাওয়া যাবে। এরপরই পুলিশ তল্লাশি অভিযান শুরু করে। দেরগাঁওর ইসলামনগর থেকে বালিকাকে উদ্ধার করা হয় মঙ্গলবার রাত দুটোর সময়। ঘটনায় সাগর ঘোষ সহ আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মনীষা ঘোষ সহ আরও দুজন ফেরার। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।