পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: টোল প্লাজায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় আজ কলকাতার শেক্সপিয়র সরণির বহুতলে আচমকাই হানা দেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। লখনউয়ের একটি প্রতারণা মামলার সূত্র ধরে আজ দেশের মোট ৭ রাজ্যের ১৪টা জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, জাতীয় সড়কে টোল ট্যাক্স নেওয়ার পিছনে বড় আর্থিক কারচুপির অভিযোগ সামনে এসেছে। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে প্রথম লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়।
সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এক বিশেষ অবৈধ সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছিল। সেই জাল সফটওয়্যার ব্যবহার করে জাতীয় সড়কে গাড়ি থেকে বেআইনিভাবে টোল ট্যাক্সের রসিদ তৈরি করে টাকা তোলা হত। সরকারি খাতায় সেই আয়ের হিসেব না দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়ে ফেলেছিল এই চক্র। লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
কলকাতার শেক্সপিয়র সরণির বহুতলে পৌঁছন কেন্দ্রীয় সংস্থার ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। তল্লাশি চলাকালীন আবাসনের ভেতরে এক ব্যবসায়ীর কার্যালয় ও বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। পুরো আবাসন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়, যাতে ভিতরের কেউ বাইরে যেতে না পারেন বা কোনও নথি লোপাট না হয়।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ,
দুর্নীতির এই টাকা কার কার অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ?
ডিজিটাল মাধ্যমে কোন কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি এই চক্রে যুক্ত?
এই অফিস কোথা থেকে চালানো হতো?
কারা কাজ করতেন এই অফিসে?
কতদিন থেকে এই চক্র চলছে?
ডিজিটাল নথি ও অন্যান্য প্রমাণের খোঁজে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং রাজস্থান-সহ মোট সাতটি রাজ্যে একই সঙ্গে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।