নিউজ ডেস্ক: গত তিন বছরে মণিপুরে জাতিদাঙ্গায় মৃত্যু হয়েছে ৩০৬ জনের। এই সময়পর্বে নিখোঁজ ৪৯ জন। মণিপুর বিধানসভায় জানিয়েছেন পুলিশমন্ত্রী গোবিন্দদাস কোনথৌজাম।
বিজেপি বিধায়ক সাপাম রঞ্জন সিংয়ের প্রশ্নের জবাবে গোবিন্দদাস জানিয়েছেন, ৩ মে ২০২৩ থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত মণিপুরে জাতিদাঙ্গায় মৃত্যু হয়েছে ৩০৬ জনের। নিখোঁজ ৪৯। তবে কতজন এখনও আশ্রয় শিবিরে রয়েছেন সেই তথ্য দেননি গোবিন্দদাস।
মৈতেই সম্প্রদায়ের সংরক্ষণের দাবির বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ৩ মে কুকি-জো অধ্যুষিত এলাকায় জনজাতি ঐক্য মিছিলের পরই মণিপুরে জুড়ে দাঙ্গা শুরু হয়েছিল। কুকি-মৈতেই সংঘর্ষ অশান্ত হয়ে গিয়েছিল গোটা মণিপুর। সম্প্রতি কুকি-মৈতেই সংঘর্ষের তীব্রতা কমলেও নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে কুকি সম্প্রদায়ের সঙ্গে নাগা জনগোষ্ঠীর।
মণিপুরের ৫৩ শতাংশ মৈতেই জনগোষ্ঠী প্রধানত বাস করে ইম্পল উপত্যকায়। নাগা ও কুকি জনগোষ্ঠীর মতো জনজাতিরা মণিপুরের ৪০ শতাংশ জনসংখ্যা, বাস করে পাহাড়ি অঞ্চলে।
জাতিদাঙ্গায় মণিপুরের এমন পরিস্থিতি হয়েছিল যে প্রায় এক বছর রাষ্ট্রপতি শাসন চলেছে মণিপুরে। বীরেন সিং সরকারকে খারিজ করে রাষ্ট্রপতি শাসন করতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান ঘটলে খেমচান্দ সিং মুখ্যমন্ত্রী হন।
Prev Post