ব্রিকস সম্মেলনের আগে ভারতকে বার্তা চিনের

39

নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ও বহু-প্রত্যাশিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। বৈঠকের প্রাক্কালে বেইজিং সুসম্পর্কের সম্পর্কের বার্তা দিয়েছে। জোর দিয়ে বলেছে যে, এশিয়ার এই দুই বৃহৎ শক্তির উচিত দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বের ওপর মনোযোগ দেওয়া এবং নিজেদের মতপার্থক্যগুলো সঠিকভাবে সামলানো।
২০২০ সালের গালওয়ান সংঘাত ও অরুণাচল প্রদেশ সংক্রান্ত বিরোধের পর বেজিং ও নয়াদিল্লি যখন কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করছে, ঠিক সেই সময়েই এটি হতে যাচ্ছে ভারতে শি-র প্রথম সফর।
এই বৈঠক প্রসঙ্গে ভারতে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত সু ফেইহং বলেছেন যে, দুই দেশের সম্পর্কের কৌশলগত উন্নতির লক্ষ্যে বেজিং নয়াদিল্লির সঙ্গে কাজ করবে।
সু বলেছেন, দুই নেতার কৌশলগত নির্দেশনার আলোকে কাজ করতে, কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পরিচালনা করতে, যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে, মতপার্থক্য যথাযথভাবে সামাল দিতে এবং প্রতিবেশীসুলভ বন্ধু ও একে অপরের সাফল্যে সহায়তাকারী অংশীদার হিসেবে কাজ করতে চিন ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে।
প্রধানমন্ত্রী মোদী ও শি-র দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে টানা তৃতীয় বছর তাঁদের সাক্ষাতের ঘটনা, এর আগে কাজান ও তিয়ানজিনে তাঁদের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল।
চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় অবদান রাখার লক্ষ্যে ব্রিকস দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত চিন। উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ব্রিকস একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
শি-র ভারত সফর প্রথমবার হয়েছিল ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে। এরপর ২০১৬ সালে গোয়ায় আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি দ্বিতীয়বার ভারত সফর করেন এবং তাঁর সর্বশেষ সফর ছিল ২০১৯ সালে, যখন তিনি চেন্নাইয়ের কাছে মামাল্লাপুরমে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে এক অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।