দিল্লিতে কিশোরীকে গণধর্ষণ, ধৃত ৩ নাবালক

36

নিউজ ডেস্ক: ফের গণধর্ষণ দিল্লিতে। গণধর্ষের অভিযোগে ধৃত ৩ নাবালক সহ ৪।পুলিশের দাবি, ১৬ বছর বয়সি ওই কিশোরীর মৃতদেহ এতটাই পচে গিয়েছিল যে দেহ উদ্ধারের পরও তার লিঙ্গ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।দিল্লিতে তিন নাবালকসহ চারজন মিলে ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরীকে গণধর্ষণ ও ছুরিকাঘাতে হত্যার পর তার মরদেহ একটি খোলা মাঠে ফেলে দেয়। মৃতদেহের অনেকটা খুবলে খায় কুকুর। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণ ও হত্যার কয়েক দিন পর ১৩ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীর পচাগলা মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এই লোমহর্ষক ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোরী ও অভিযুক্তরা পরস্পরের পরিচিত ছিল এবং ঘটনার সময় কিশোরী একটি টেম্পোয় ছিল অভিযুক্তদের সঙ্গে।
অভিযোগ, টেম্পোর ভেতরে সবাই মিলে মদ্যপান করেছিল। এরপরই ওই কিশোরীকে গণধর্ষের পর ছুরি দিয়ে খুন করা হয় এবং তার মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়।
১৩ সেপ্টেম্বর উত্তর-পশ্চিম দিল্লির কুশাক রোডের স্বরূপ নগর এলাকায় জয়পাল রানার খেতের কাছে মেয়েটির পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে যে, মৃতদেহের কিছু অংশ রাস্তার কুকুর খেয়ে ফেলেছিল এবং একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।


মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ জানানো হয়নি। পুলিশ জানায়, পরিবারের সদস্যরা তাদের বলেছিলেন যে মেয়েটি প্রায়ই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেত এবং কয়েক দিন পর ফিরে আসত।
তদন্তে নেমে পুলিশ ওই এলাকা ও সংলগ্ন পথের ৫০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। ঘটনার সময়ের কাছাকাছি ঘটনাস্থলের কাছে একটি টেম্পোকে চলাচল করতে দেখা যায়। অন্ধকারের কারণে সেটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল না। এরপর তদন্তকারীরা বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ধরে গাড়িটির গতিবিধি অনুসরণ করে।
তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজন টেম্পোটিকে উদ্ধার করা হয়।
তদন্তের সূত্র ধরে এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে তিনজন নাবালক।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তের নাম শিবম, যিনি সুদামা বা চুচু নামেও পরিচিত। আটক তিন নাবালকের বয়স ১৬ ও ১৭ বছর।
অপরাধে ব্যবহৃত দুটি ছুরি, অভিযুক্তদের পরিহিত পোশাক এবং টেম্পোটি উদ্ধার করা হয়েছে।