‘ফুটবলার’ বনাম ‘খাম’, মমতা শিবির ও -ঋত শিবিরকে ’দলের নাম – প্রতীক দিল কমিশন

30

পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের অন্তর্বর্তী নাম ও প্রতীক চূড়ান্ত করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। মমতার শিবিরের নাম ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস।’ তাঁদের প্রতীক “ফুটবল খেলোয়ার”। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’। প্রতীক ‘খাম’।

৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত এই প্রতীক এবং দলের নামেই লড়তে হবে মমতা ও‌ ঋতব্রত শিবিরকে।

রাজ্য পালাবদলের পর দল দু’ভাগে ভাগ হয়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেস। ঋতব্রত শিবির এবং কালীঘাট শিবির। তারপর শুরু হয় প্রতীক নিয়ে লড়াই।

সেই প্রতীক-যুদ্ধের ইতি টানে নির্বাচন কমিশন। দল কার, দলের তহবিল কার হাতে থাকা উচিত, এই সমস্ত প্রশ্ন ওঠার পর জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করে দেয় কমিশন। কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে কারও নয় জোড়াফুল, স্পষ্ট জানায় নির্বাচন কমিশন।‌

গত ২৮ বছর আগে ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্নে, এই ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক এঁকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। সেই জোড়া ফুল হাতছাড়া হয়ে যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

বৃহস্পতিবার রাতেই মমতা শিবিরের তরফে কমিশনে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’,‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস মমতা’, ‘তৃণমূল কংগ্রেস মমতা’- এই তিন বিকল্পের কথা জানানো হয়। মমতার তরফে প্রতীক হিসাবে ক্রিকেট ব্যাট ও ফুটবলার। এর কথা জানানো হয়।

অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরের তরফে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’, ‘জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস’ ‘পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস’ – এই বিকল্প নামগুলির কথা জানানো হয়। ঋতব্রত শিবির খাম, ব্ল্যাক বোর্ড ও টর্চ প্রতীক হিসাবে চেয়েছিল বলেই সূত্রের খবর।

এবার তার মধ্যে থেকেই প্রতীক এবং দলের নাম আপাতত চূড়ান্ত করল নির্বাচন কমিশন।