পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: সিভিক ভলান্টিয়ারদের দায়িত্ব আরো বাড়ল। কারণ সিভিক ভলান্টিয়ারদের নজরদারি সুনিশ্চিত করতে নতুন এসওপি প্রকাশ লালবাজারের ।
কর্তব্যে গাফিলতি, শৃঙ্খলাভঙ্গ, চাঁদা আদায় বা দুর্নীতির মতো কোনো অনৈতিক কাজ এবং কোনও ফৌজদারি মামলায় নাম যদি জড়ায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট সিভিক ভলান্টিয়ারকে অবিলম্বে সাময়িকভাবে বরখাস্ত কিংবা স্থায়ীভাবে কাজ থেকে বরখাস্ত করা যাবে।
অসুস্থতার কারণে কর্তব্য পালন করতে না পারলে একই পদক্ষেপ করতে পারবেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার, হোমগার্ড অর্গানাইজেশন।
নতুন নিয়মে বলা আছে,
অনুমতি ছাড়া কোনও সিভিক ভলান্টিয়ার টানা সাত দিন কাজে না আসেন তাহলে তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে প্রথমে নোটিস পাঠানো হবে। এর পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে ঠিকঠাক জবাব না মিললে কারণ দর্শানোর চূড়ান্ত নোটিস দেওয়া হবে অর্থাৎ শো কজ নোটিশ দেওয়া হবে।
দ্বিতীয় নোটিসের উত্তর না দিলে বা জবাব সন্তোষজনক না হলে তাঁকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে। তবে অসুস্থতা বা পরিবারের কারও মৃত্যুর মতো জরুরি ক্ষেত্রগুলি বিবেচনা করা হবে।
সিভিক ভলান্টিয়ারদের সামগ্রিক কাজের মূল্যায়নে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের প্রতি তিন মাস অন্তর হোমগার্ড অর্গানাইজেশনের ডেপুটি কমিশনারের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেমন কাজ হয়েছে, তিন মাসের কার্যত রিপোর্ট কার্ড জমা পড়বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ।
২০২৪ সালে আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের সাজা হয়। এর পর নো-এন্ট্রি’ লঙ্ঘন করে গাড়ি চালানো থেকে শুরু করে চলতি মাসে ঝাড়খণ্ডের এক ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে কলকাতার এক সিভিক ভলান্টিয়ারের গ্রেফতারি ঘিরে তাঁদের নজরদারি নিয়ে বারবার প্রশ্ন ওঠে। তাই এই পদক্ষেপ বলে সূত্রের খবর।