উপনির্বাচনে কংগ্রেস-এআইইউডিএফ জোটের পক্ষে অখিল

30

নিউজ ডেস্ক: নগাঁও লোকসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেস-এআইইউডিএফ জোটের পক্ষে সওয়াল অখিল গগৈয়ের। শিবসাগরের বিধায়ক অখিলের মতে, উপনির্বাচনে কংগ্রেস-এআইইউডিএফ কৌশলগত বোঝাপড়া হওয়া দরকার। না হলে ভোট ভাগাভাগির ফলে জিতে যেতে পারে বিজেপি।


রাইজর দলের সভাপতি অখিল গগৈ বলেছেন, নগাঁও সংখ্যালঘু অধ্যুষিত কেন্দ্র। গতবার এই কেন্দ্রে কংগ্রেস হারিয়েছিল বিজেপিকে। কিন্তু এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র। কারণ কংগ্রেসের পাশাপাশি এআইইউডিএফ প্রার্থী দিয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে সংখ্যালঘু ভোট কংগ্রেস ও এআইইউডিএফ দলের মধ্যে ভাগ হতে পারে। বিজেপিকে হারাতে হলে কংগ্রেস ও এআইইউডিএফ দলের মধ্যে কৌশলগত বোঝাপড়া দরকার।


নগাঁও লোকসভা উপনির্বাচন ৬ অক্টোবর। কংগ্রেসের প্রার্থী বটদ্রবার প্রাক্তন বিধায়ক শিবমণি বরা। বিজেপির প্রার্থী নগাঁওয়ের সদ্য প্রাক্তন জেলাশাসক দেবাশিস শর্মা আর এআইইউডিএফ প্রার্থী বদরউদ্দিন আজমল। যিনি দুবার ধুবড়ি থেকে সাংসদ হয়েছিলেন। বর্তমানে বিধায়ক।


অসমের কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ অবশ্য ভোট ভাগাভাগির কথা উড়িয়ে বলেছেন, মানুষ এবার সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোট দেবে। রামমন্দিরে প্রণামী চুরির ঘটনা উল্লেখ করে বিজেপিকে নিশানা করেন গৌরব গগৈ। তাঁর কথায়, রামমন্দির থেকে প্রণামী চুরিতে মদত দিয়েছে বিজেপি। আর তাঁকেই প্রার্থী করে যিনি গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত।


গত দুটি লোকসভা নির্বাচনে নগাঁও কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেসের প্রদ্যুৎ বরদলৈ। অসম বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন এবং বর্তমানে দিশপুরের বিধায়ক।


এদিকে, নগাঁও উপনির্বাচনের জন্য কংগ্রেস যে ৪০ জন তারকা প্রচারকের তালিকায় দিয়েছে তাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কেউ নেই। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বা মল্লিকার্জুন খাড়গের উল্লেখ নেই। তারকা প্রচারক হিসেবে রয়েছেন কংগ্রেসের রাজ্য স্তরের প্রায় সব নেতা-নেত্রী।