নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর মামলায় হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

26

পৃথা দাশগুপ্ত: জেল হেফাজতে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। কলকাতা হাইকোর্টে তিনি আগাম জামিনের জন্য আবেদন জানালেও তাঁর মামলায় আজ কোনও নির্দেশ দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে মোট ১১টি মামলা ছিল। ৫টি মামলা আগেই প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে কলকাতা হাইকোর্টে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। আর একটি মামলায় তিনি প্রত্যক্ষভাবে অভিযুক্ত নন বলে জানানো হয়েছে। তাই তার গ্রেফতারের প্রশ্ন নেই।। ফলে মিলন প্রধানের রক্ষাকবচের আবেদনে এখনই কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ।

১৯ বছরের পুরনো একাধিক ফৌজদারি মামলায় গত শুক্রবার চণ্ডীপুর থেকে পুলিশ মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করে। সোমবার হলদিয়া ও কাঁথি – দুই পৃথক আদালতের নির্দেশে ভোটের আগে জেল হেফাজত হয়েছে তাঁর। সোমবার হলদিয়া জেল থেকেই ভার্চুয়াল শুনানিতে অংশ নেন মিলন প্রধান। একই দিনে দুটি পৃথক আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির শুনানি হয়।

হলদিয়া ও নন্দীগ্রাম থানার পুরনো মামলার প্রেক্ষিতে শুনানির পর বিচারক মিলন প্রধানকে আগামী ৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

অন্যদিকে, কাঁথি মহকুমা আদালত খেজুরি থানার মামলার প্রেক্ষিতে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত মিলন প্রধানকে সশরীরে আদালতে হাজির করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে।

ঘটনাচক্রে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে চণ্ডীপুরের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর, শনিবার প্রথম দফায় হলদিয়া আদালত তাঁকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি নন্দীগ্রাম থানায় তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে আরও একটি মামলা দায়ের হওয়ায় আইনি জটিলতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

নতুন মামলায় রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেই মামলায় হস্তক্ষেপ করল না বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। ‌১২ অক্টোবর প্রয়োজন অনুযায়ী মামলাটির শুনানি হবে।