পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের নির্বাচনী হলফনামায় মিথ্যে তথ্যের অভিযোগ। আর সেই অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ। অভিযোগ, হাসিরানি রথের নির্বাচনী হলফনামায় জন্ম এবং মাধ্যমিক পাশের সাল নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
হাসিরানি রথের হলফনামা বলছে, তাঁর জন্ম সাল মোটামুটি ১৯৬৫। আবার হলফনামাতে উল্লেখ করেছেন ১৯৬৫ সালে চৌখালী গঙ্গা পদ্মা মিলন কন্যা বিদ্যাপীঠ স্কুলে দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। কংগ্রেসের অভিযোগ, জন্মেই কি করে বিজেপি প্রার্থী দশম শ্রেণির ছাত্রী হলেন? বিতর্ক এখানেই শেষ নয়, ওই স্কুল ১৯৬৩ সালে পথ চলা শুরু করে। ১৯৬৩ সালে ওই স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হত। ১৯৭৩ সালে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানোর সরকারি অনুমোদন পায় ওই স্কুল।
আজ বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী ঋজু ঘোষাল। তাঁর বক্তব্য, হলফনামায় জন্ম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা মিথ্যা। জন্ম তারিখের সঙ্গে হিসেব করলে কোন মিল পাওয়া যাচ্ছে না । হলফনামায় বিজেপি প্রার্থী জানিয়েছেন তাঁর বয়স ৬০ বছর প্লাস। যদি তাই হয়, তাহলে ১৯৬৬ সাল নাগাদ জন্ম বিজেপি প্রার্থীর। আর মাধ্যমিক পাশ করেছেন ১৯৬৫ সালে। জন্মের আগে কী ভাবে মাধ্যমিক পাশ? বিচারপতি মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। আগামীকাল মামলার শুনানির সম্ভাবনা।
মঙ্গলবারই এই বিষয়ে প্রকাশ্যে এনেছিল কংগ্রেস। পাশাপাশি হাসির রানী রথের মনোনয়ন বাতিল করার আর্জি জানিয়ে ছিল তাঁরা । এবার কলকাতা হাই কোর্ট এই বিষয়ে কি জানায় সেদিকেই নজর সকলের।